সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : রাতে তরমুজ চুরি, দিনে তা উদ্ধার করা হয়েছে। আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের মাদিয়া লক্ষীখোলার বিলের ঘটনা এটি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক তৃপ্তি ম-ল জানান, মাদিয়া লক্ষী খোলার বিলে দশ বিঘা মাছের ঘেরের আইলে বর্ষাকালীন তরমুজ লাগিয়েছেন। সোমবার দিবা গত রাত্রে বৃষ্টির কারণে ঘেরে না যাওয়ায় চোরেরা সুযোগ বুঝে ২০০পিস তরমুজ চুরি করে নিয়ে পালিয়ে যায়।
তিনি আরও জানান, সকালে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা আজরুল ইসলাম মন্টু ও খাজরা ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সেলিম মোল্যার নেতৃত্বে গদাইপুর গ্রামের শুকুর আলী মাছের ঘেরের বাসায় অভিযান চালিয়ে ৬৬পিস তরমুজ উদ্ধার করে এলাকাবাসী। তুয়ারডাঙ্গা নয় নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি সেলিম মোল্ল্যা জানায়, ৫ আগস্ট এর পর থেকে শুকুর আলীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভয় দেখিয়ে হাঁস-মুরগি গরু ছাগল মাছ এমনকি শাকসবজিও তার হাত থেকে দেয় পাচ্ছে না। তার ছেলে সব সময় দেশে অস্ত্র হাতে নিয়ে ঘোরে। কেউ তাকে সাহস করে কিছু বলতে পারছে না। আমরা শুকুর আলীসহ তার ছেলে কে গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।
সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুস সাত্তার জানান, শুকুর আলীর বিষয়টি প্রশাসনের একাধিকবার তথ্য দিলেও কোন লাভ হয়নি। তার গ্রামের বাড়ি খাজরা ইউনিয়নের গদাইপুর গ্রামে। কিন্তু সে বড় দল ইউনিয়নের হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় এসে ঘের দখল চাঁদাবাজি চুরি ছিনতাইসহ নানা অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আমরা শুকুর আলীর গ্রেফতারের দাবিতে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এদিকে তরমুজ চুরি ও উদ্ধারের ঘটনায় মুরালিকাটি গ্রামের তৃপ্তি রঞ্জন মন্ডল বাদী হয়ে আশাশুনি থানা একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।