সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সম্প্রতি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলা গাবুর ইউনিয়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ১০৪০ কোটি টাকা ব্যয় মেগা প্রকল্পে পাহাড় সমান দুর্নীতি অনিয়ম হয়েছে বলে এই প্রতিবেদক কয়েকদিন ধরে ধারাবাহিকভাবে প্রিন্ট মিডিয়া ও অনলাইনে পত্রিকায় খবর প্রকাশ করে আসছে।এরইপ্রেক্ষিতে১২/০১/২৫ তারিখ রাতে মাননীয় পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সাথে আলাপ কালে তিনি এক প্রক্রিয়ায় এই প্রতিবেদককে বলেন সাতক্ষীরা মেগা প্রকল্প সহ সারা বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকারেরমেগা প্রকল্পে আওয়ামী লীগের দোসর কর্মকর্তা কর্মচারীদের হরিলু ট দুর্নীতির খবর পাওয়া যাচ্ছে । সকল প্রকল্পের দুর্নীতি তদন্ত হবে ।যদি দুর্নীতি অনিয়মের প্রমাণ মেলে তাহলে এর সাথে সম্পৃক্ত সকল কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে একজনের ছাড়দেয়া হবে না সাতক্ষীরা সহ সকল মেগা প্রকল্প দুর্নীতি তদন্ত হবে। বিশেষ করে সাতক্ষীরার মেগা প্রকল্পে জড়িত কর্মকর্তা কর্মচারীদের কোন প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি আরো বলেন সকল প্রশাসনে এখনো আওয়ামী লীগের দোসরা বহাল তবিয়তে বসে আছে এবং দুর্নীতি অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে এটা অস্বীকার করার কোন বিকল্প নেই। তিনি আরো বলেন আমি জানি আওয়ামী লীগের আমলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ জলোচ্ছ্বাস থেকে উপকূলের মানুষকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরায় মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ১০৪০ কোটি টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছিল বর্তমান যার কাজ প্রায় ৬২ শতাংশ শেষ হয়েছে বলে আমার কাছে তথ্য রয়েছে। এখানে পত্র-পত্রিকায় যে কথাটা বেশি করে উল্লেখ করা হয়েছে ৫ আগস্ট গন অব্যর্থানের সময় কিছুদিন অন্তর্বর্তী সরকারের সকল কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে আনতে একটু বিলম্ব হয়েছিল সেই সুযোগে সাতক্ষীরা মেগা প্রকল্পের সাথে যে সমস্ত কর্মকর্তারা জড়িত ছিল তারা দুর্নীতি অনিয়ম করেছে বলে এটা বিশ্বাসযোগ্য হতে পারে। সে কারণে বিষয়টি নিয়ে আমরা গুরুত্ব সহকারে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে তদন্ত করে অনিয়ম প্রমাণিত হলে ওই সময় জড়িত থাকা কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এতে কোন সন্দেহ নেই। তিনি আরো বলেন সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়া এটা বড় অপরাধ এর জন্য প্রমাণ হলে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ইতিমধ্য সাংবাদিককে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যাচাই করে দেখা হচ্ছে। মেগা প্রকল্পে প্রাথমিকভাবে জড়িত উল্লিখিত নির্বাহী প্রকৌশলী সালাহউদ্দিন আহমেদ উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ইমরান সরদার উপসহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদুর রহমানের পৃথক পৃথক জন্মস্থানে পারিবারিকভাবে কে কোন রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত সেগুলোও গুরুত্বসহকারে যাচাই করে দেখা হচ্ছে। ৮০ শতাংশ বস্তা ডাম্পিং হয়নি এমন প্রশ্নের উত্তর সৈয়দা রিজওয়ান হাসান বলেন এটা হতে পারে অসম্ভব কিছু না কারণ ডাম্পিং বস্তা পানির নিচে থাকে ড্যাম্পিং এর পরে কোন প্রমাণ থাকে না বলে এখানে অপরাধ হয়েছে বলে যে অভিযোগ উঠছে এটা অবিশ্বাস করার কিছু না । উল্লেখ্য শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের মেগা প্রকল্পে ৪০০ কোটি টাকা লুটে নিয়েছে আওয়ামী লীগ ক্যাডার নামে পরিচিত তিন কর্মকর্তা । সে কারণে মেগা প্রকল্প নামে স্থানীয় জনগতার কাছে হাসির প্রকল্পে পরিণত হয়েছে । এছাড়া, একই উপজেলার বুড়ীগোয়ালিনী ইউনিয়নের জাই কার ৯৭কোটি টাকার ৪০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এই তিন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এরা তিনজনই আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান এবং জন্মলগ্ন থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত সকলের বাপ চাচা ভাই আওয়ামী লীগের কমিটির পথ পদবীতে রয়েছে ।সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ইমরান আহমেদ সরদার এখন শত কোটি টাকার মালিক। আর এই শত কোটি টাকার মালিক হতে সাপোর্ট করেছেন তার নিজ জেলা মাগুরার কয়েকজন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পিএস, সাইফুজ্জামান শেখর , মাগুরার সদস্য সাকিব আল হাসান, সংসার সদস্য বীরেন শিকদার। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় গাবুরা ইউনিয়নের টেকসই মজবুত পানি উন্নয়ন বোর্ডের ভেড়িবাদের জন্য ১০৪০ কোটি টাকা মেগা প্রকল্প অনুমোদন দিয়ে তা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করে। শুরু থেকে আওয়ামী লীগ নেতা উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ইমরান সরদার ও উপসহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন নির্বাহী প্রকৌশলী সালাহউদ্দিন আহমেদ শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে প্রকল্পটি হরি লুট করেছে ,এবং এতে ম্যানেজ করেছেন ট্যাক্স ফোর্সের কর্মকর্তাদের। এই শত শত কোটি টাকার বস্তা ড্যাম্পিং, মাটির কাছে অনিয়ম ,জমি করায় কাছে অনিয়ম, বস্তিবাসীদের উচ্ছেদে অনিয়ম ,বালি উত্তোলনে অনিয়ম, মাল-মেটিয়েছে অনিয়ম , ব্লক তৈরিতে অনিয়ম , লবণ বালিতে অনিয়ম, সিলেকশন বালিত অনিয়ম,সহ নানামাত্রিক অনিয়ম মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে এখন দিদাচ্ছে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এই টাকার বড় একাংশ পেয়েছেন সাতক্ষীরা তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী সালাউদ্দিন আহমেদ তিনিও শতকোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে দ্রুত বদলি হয়ে ঢাকার হেড অফিসে উঠে গেছেন ।তার ও এর সাথে জড়িতদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তাদের স্ত্রীর ব্যাংক একাউন্ট তাদের নিকটস্থ আত্মীয়র ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তলব করলে সব তথ্য বেরিয়ে আসবে উপসহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেনের বাড়ি ছিলেন সিরাজগঞ্জ তিনি প্রকাশ্য বলতেন আমি ছাত্রলীগের সুবাদে প্রয়াত মন্ত্রী নাসিম সাহেবের হাত ধরে চাকরিতে যোগদান করেছি বর্তমান নাসিম সাহেব মৃত্যুবরণ করায় তার পুত্র আমার সবকিছু দেখভাল করেন। তৎকালীন সাতক্ষীরা নির্বাহী প্রকৌশলী সালাউদ্দিন আহমেদ মেগা প্রকল্পের অধিকাংশ অর্থ সংগ্রহের কাজ সমাপ্ত হওয়ার সাথে সাথে ঢাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক (ডিজি )এর কাছে বদলির আবেদন করে তড়িঘড়ি করে বদলি হয়ে চলে এসেছে। তারও রাজনৈতিক জীবনে ইতিহাস পাওয়া গেছে তিনিও ছাত্রলীগের সক্রিয় ক্যাডার ছিলেন এবং দলীয় প্রভাব খাটিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর চাকরিতে যোগদান করেন এর পিছনে ও আওয়ামী লীগের তৎকালীন পানি সম্পদ মন্ত্রীর এপিএস, পিএস ও মন্ত্রী নিজে মোটা অর্থের বিনিময় সালাউদ্দিন আহমেদকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে চাকরি দিয়ে সাতক্ষীরায় যোগদান করাইয়ে দেন। এছাড়া তৎকালীন সাতক্ষীরা নির্বাহী প্রকৌশলী সালাউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির শত শত অভিযোগ বস্তবন্ধী হয়ে পড়ে আছে টাকার বিনিময় এই সমস্ত অভিযোগ এখনো পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি।২০১৮-১৯ অর্থবছরে ইমরান আহমদ বুয়েটে থেকে লেখাপড়া শিখে জড়িয়ে পড়ে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সেই সুবাদে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর কয়েকজন বিশেষ সহকারি পানি উন্নয়ন বোর্ডের চাকরি নেন উপবিভাগীয় প্রকৌশলী পদে । চাকরি নেওয়ার পরে তৎকালীন সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী এমপিদের প্রভাবে বদলি হয়ে যায় সাতক্ষীরার পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে সেখান থেকে দায়িত্ব পান শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের মেগা প্রকল্পে।এই মেগা প্রকল্পের প্রত্যেকটি খাতে সীমাহীন দুর্নীতি অনিয়ম ঘুষ বাণিজ্য হয়েছে তাতে ১০৪০ কোটি টাকার মধ্য কাজ সমাপ্ত হচ্ছে মাত্র ৬০০ কোটি টাকায় বাকি ৪৪০ কোটি টাকা সাতক্ষীরা সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী সালাউদ্দিন আহমেদ, ইমরান আহম্মদ উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ও উপসহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদ সহ আরো কয়েকজনের পকেটে যায় ।সেখান থেকে বিভিন্ন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করা হয়। অথচ সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়ন বাসির কষ্টের শেষ নেই, মেগা প্রকল্পের সীমাহীন দুর্নীতির কারণে আগের মতই তাদের কষ্ট ভোগ করতে হচ্ছে। এর একমাত্র অধিনায়ক সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী সালাহউদ্দিন আহমেদ ও মাগুরার সন্তান আওয়ামী লীগের ক্যাডার ইমরান সরদার। এই ইমরান সরদার ৫ই আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের আগে নিয়মিতভাবে মাগুরার আওয়ামী লীগ নেতা সাকিব আল হাসান সাবেক এমপি, সাইফুজ্জামান শেখর সাবেক এমপি, বীরেন্দ্রনাথ সিকদার সাবেক এমপি এদের সাথে যোগাযোগ করে হরি লুট করে দিয়েছে সাতক্ষীরার মেগা প্রকল্প স্বপ্ন বাস্তবায়ন হয়নি গাবুরাবাসীর সেজন্য গাবুরা বাঁশিএখন বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের পানী উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ান হাসানও প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করছেন, যাহাতে এই প্রকল্পের দুর্নীতির সাথে জড়িত নির্বাহী প্রকৌশলী সালাউদ্দিন আহমেদ উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ইমরান আহমেদ সাজ্জাদ হোসেন সহ আর যারা জড়িত ছিলেন তাদেরকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে এবং চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে দিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রমাণ হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার জন্য। নাম প্রকাশে অনিচ্ছু ক একজন ঠিকাদার এই প্রতিবেদককে জানান কাজ শুরুর আগেই ১০% কমিশন নির্বাহী প্রকৌশলী সালাউদ্দিন আহমেদ ও ইমরান আহমেদকে দিয়ে কাজ শুরু করতে হয়েছে তা না হলে ওয়ার্ক অর্ডার দিতে গড়িমওসি করেছে যার কারণে এই মেগা প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত হতে বিলম্ব হচ্ছে, এর জন্য একমাত্র দায়ী তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী সালাহউদ্দিন আহমেদ । ইমরান আহমেদ সরদার যে আওয়ামী লীগের ও ছাত্রলীগের ক্যাডার ছিলেন সেটি ঢাকা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি সহ মাগুরা জেলার আওয়ামী লীগের শিশু থেকে বৃদ্ধা পর্যন্ত সকলেই অবহিত আছেন। ইমরান আহমেদের উপকূলীয় অঞ্চলে চাকরির সুবাদে সাগরের মাছ, হরিণের মাংস পৌঁছে যেতেন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী মন্ত্রী, এমপি ,পিএস ,এপিএস ও প্রভাবশালী নেতাদের বাসায়। উল্লেখ্য সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলা পাউবোর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ইমরান সরদারের খুঁটির জোড় কোথায় তা জানতে চায় সুধীমহল থেকে সর্বস্তরের মানুষ। সরে জমিনে তদন্তকালে প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা যায় সাতক্ষীরা জেলার গাবুরা ইউনিয়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ১০৪০ কোটি টাকা ব্যয় মেগা প্রকল্পে হরিলুট করেছেন এই আওয়ামী লীগ তিন ক্যাডার সহ আরো কয়েকজন । এছাড়া বুড়ি গোয়ালিনী ইউনিয়ন জাইকার দেওয়া ৯৭কোটি টাকা ব্যয় বস্তা ডাম্পিং ও রাস্তা সংস্কারের ৭০% কাজ না করে টাকা আত্মসাৎ করেছেন এই আওয়ামীলীগের তিন ক্যাডার ও ট্যাক্স ফোর্সের কর্মকর্তারা। আর গাবুরা ইউনিয়নে মেগা প্রকল্পের ৭০শতাংশ বস্তা ডাম্পিং না করে ট্যাক্স ফোর্সের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করে হাতিয়ে নিয়েছে শত শত কোটি টাকা । যাহা তদন্ত হলে সত্যতা মিলবে আয়নার মতো। নির্বাহী প্রকৌশলী সালাহউদ্দিন আহমেদ বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে দেশে যখন অস্থিরতা বিরাজ করছে ঠিক সেই সময় তার নির্দেশে ও পরামর্শে শ্যামনগর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ইমরান সরদার, ও উপসহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন সহ ট্যাগ ফোর্সের কর্মকর্তারা এই সীমাহীন অপকর্ম করেছে। সরকার টাকা দিয়েছে উপকুলিয়া বানভাসি মানুষের বেড়িবাধ রক্ষার জন্য আর সেই টাকা লুটপাট করে পকেটে ভরেছে রাঘব বোয়াল নির্বাহী প্রকৌশলী সালাউদ্দিন আহমেদ উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ইমরান আহমেদ সরদার উপসহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন ও ট্যাগ ফোর্সের কর্মকর্তারা। প্রাপ্ত তথ্য জানা যায় ইমরান আহমেদ সরদার তার নিজ বাড়ি মাগুরায় বিশ্ব ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের এলাকায় সে ছাত্র জীবনে ছাত্রলীগের ক্যাডার ছিল সেই প্রভাব খাটিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পদে চাকরি নেয়। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার এখন ক্ষমতায় না থাকলেও তার দুর্নীতি আর ঘুষ বাণিজ্য এখনো থামেনি বহাল তবিয়াতে চালিয়ে যাচ্ছে নির্বাহী প্রকৌশলী সালাউদ্দিন আহমেদ সাজ্জাদ হোসেন ও ইমরান সরদার। তার এই দুর্নীতি খুটির জোর কোথায় তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সুধী মহল জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের মধ্যে। সাধারণ মানুষ সুধী মহল জনপ্রতিনিধিরা তদন্ত করে এই কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষের কাছে। শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নে মেগা প্রকল্পের মাটির কাজেও এই সমস্ত দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার সহতায় চলছে সীমাহীন লুকোচুরি ও দুর্নীতি সরকারের দেওয়া মেজারমেন্ট অনুযায়ী কোন জায়গায় কাজ হচ্ছে আবার কোন জায়গায় পুকুর চুরি হচ্ছে। টলার অথবা কার্গো যোগে মাটি টেনে এনে বাঁধ নির্মাণ করার কথা থাকলেও তা না করে নদীর চর রাস্তার গোড়া থেকে ও সাধারণ মানুষের বাড়িঘর কেটে মাটি নিয়ে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে যাহা সম্পূর্ণ নকশা বহির্ভূত। সালাউদ্দিন আহমেদ সাজ্জাদ রহমান ও ইমরান সরদারের এই সমস্ত দুর্নীতি অপকর্ম ঘুষ বাণিজ্যের প্রতিবাদে এলাকাবাসী মানববন্ধন সংবাদ সম্মেলন সহ নানা জায়গায় স্মারকলিপি দেওয়ার পরেও আজ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি তাদের বিরুদ্ধে। সর্বশেষ গত ৮ ডিসেম্বর বিষয়টি নিয়ে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পানি সম্পাদ উপদেষ্টা সৈয়দা রেজওয়ান হাসান , চেয়ারম্যান দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও মহাপরিচালক বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ঢাকা পানী ভবন ,বরাবর অভিযোগ করা হয়েছে। এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ান হাসান মহোদয়ের বক্তব্য হুবাহু প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।