প্রিন্ট এর তারিখঃ জানুয়ারী ১৯, ২০২৬, ৭:১৯ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ণ
দিঘলিয়ায় শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা
এস.এম.শামীম,দিঘলিয়া : বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে দিঘলিয়ায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়।গতকাল সোমবার (১৯ জানুয়ারি) উক্ত সভায় প্রধান অতিথি বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জিয়াউর রহমান সম্পর্কে আলোচনায় বলেন, জিয়াউর রহমান ১৯৩৬ সালে ১৯ জানুয়ারিতে জন্ম গ্রহণ করেন যিনি বাংলার রাখাল রাজা হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ঘুমন্ত নিরস্ত্র জনগণের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায় এবং ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যা চালায়। পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে নৃশংস গণহত্যা 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে পরিচিত।
মেজর জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন। তারপর ২৬ মার্চ বেতার কেন্দ্রের কর্মীদের সহায়তায় চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশ লিবারেশন আর্মির অস্থায়ী সর্বাধিনায়ক মেজর জিয়া এতদ্বারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করছি। জিয়াউর রহমান ও তার সৈন্যরা এভাবেই মুক্তিযুদ্ধের সম্মুখভাগে আসেন। মেজর জিয়া এবং তার নেতৃত্বাধীন সশস্ত্র বাহিনী চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী এলাকাকে কয়েকদিন তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং তারপর পাকিস্তান সেনাবাহিনীর চাপের মুখে কৌশলগত পশ্চাদপসরণ হিসেবে সীমান্ত অতিক্রম করে।
জিয়াউর রহমান প্রাথমিকভাবে BDF সেক্টর ১ এর বাংলাদেশ ফোর্সেস কমান্ডার হয়েছিলেন এবং জুন থেকে বাংলাদেশ বাহিনীর BDF সেক্টর ১১ এর BDF কমান্ডার এবং ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের কাছ থেকে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে জেড ফোর্সের (Z Force) ব্রিগেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় ২৮ আগস্ট ১৯৭১ সালে, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাত থেকে পুনরুদ্ধার করা রৌমারীতে প্রথম বেসামরিক প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বীরত্ব পুরস্কার ‘বীর উত্তম’-এ ভূষিত হন।
জিয়াউর রহমানের অবদান বাংলাদেশের মানুষ চিরদিন মনে রাখবেন। অনুরূপ দোয়া ও আলোচনা সভা তেরখাদা, রুপসায় ও পালিত হয়।প্রধান আলোচক আজিজুল বারী হেলাল উপস্থিত ছিলেন আলোচক নাসির উদ্দিন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সরকারি এম মজিদ কলেজ মোঃ আলতাফ হোসেন অধ্যক্ষ সরোয়ার খান ডিগ্রি কলেজ, মোঃ শামিম হোসেন অধ্যক্ষ মোল্লা জালাউদ্দিন কলেজ,মোঃ রফিকুল ইসলাম,অধ্যক্ষ পথের বাজার মহিলা কলেজ, দোয়া পরিচালনা করেন, অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা মুফতি আহম্মদুল্লাহ জাকারিয়া মাদ্রাসা।
সভাপতিত্বে ছিলেন এম সাইফুর রহমান মিন্টু সভাপতি দিঘলিয়া উপজেলা বিএনপি, উপস্থাপন মনিরুল হক বাবুল, প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ সরোয়ার খান ডিগ্রি কলেজ, ও শেখ মুনিবুর রহমান সাবেক অধ্যাপক সরোয়ার খান ডিগ্রি কলেজ।মোজাম্মেল শরিফ,নাজমুল মোল্লা, মনির মোল্লা, রেজাউল ইসলাম রেজা, মোঃরয়েল,হাসিবুর রহমান সাদ্দাম, কুদরতি ইলাহি স্পিকার,আব্দুল কাদের জনি,মনিরুল গাজী,টুটুল,হিমেল গাজী,মেহেদি সহ বিএনপি ও অংগ সংগঠন এর নেতৃবৃন্দ। রফিকুল ইসলাম বাবু,কামাল হোসেন,
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত