1. : lf_ElQ5oe7W3mX7 :
  2. mesharulislammonir1122@gmail.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন
  3. info@www.sangjogprotidin.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন :
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ন

নগরীতে অবৈধভাবে চলছে জ্বালানি তেলের ব্যবসা

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৫৬ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট : নগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন ছোট বয়রা আপার যশোর রোড এলাকায় অবৈধভাবে “ছায়রা ফিলিং স্টেশন” নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক দাহ্য পদর্থের ব্যবসা করছেন। লাইসেন্সবিহীন অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনার জন্য কেন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না- এ ব্যাপারে কারণ দর্শানোর জন্য বিস্ফোরক পরিদপ্তর কর্তৃপক্ষ গত চার মাস আগে লিখিতভাবে অনুরোধ করেন, কিন্তু সাড়া মেলেনি। অন্যদিকে, পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিঃ এর পক্ষ থেকে ফিলিং স্টেশনটির অনুকূলে সকল প্রকার জ্বালানি তেল সরবরাহ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
গত ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর ছায়রা ফিলিং স্টেশনের নামে বিস্ফোরক পরিদপ্তরের দেয়া লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়েছে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের মালিকের মৃত্যুর পর তার ছেলে সেলিম রাজা শোভন লাইসেন্স নবায়ন না করেই ব্যবসা পরিচালনা করছেন। এ ব্যাপারে নুরজাহান পিংকি নামে একজন বিস্ফোরক পরিদপ্তরে অভিযোগ করেন।
এদিকে, বিস্ফোরক পরিদপ্তরের পত্রের প্রেক্ষিতে পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিঃ কর্তৃপক্ষ ছায়রা ফিলিং স্টেশনের পক্ষ থেকে নবায়নকৃত বিস্ফোরক লাইসেন্স দাখিল না করা পর্যন্ত দৌলতপুর ডিপো, বাগেরহাটের খুলনা ও মোংলা অয়েল ইনস্টলেশন হতে জ্বালানি তেল সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছেন। কোম্পানির পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্বাক্ষরিত এক পত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্রমতে, হালনাগাদ লাইসেন্সের পাশাপাশি বৈধ মালিকানা নির্ধারণ করে ফিলিং স্টেশনটি পরিচালনার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়।
পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিঃ থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ, তাহলে কোথা থেকে সরবরাহকৃত তেল দিয়ে ফিলিং স্টেশনটির ব্যবসা চলছে? একটি সূত্র বলছেন, কাশিপুর এলাকা হতে ড্রামে ভর্তি করে সেখানে জ্বালানি তেল পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল আনা হয়। অপর একটি সূত্র জানান, মাঝে-মাঝে পিকআপে এবং মাঝে-মাঝে ভ্যানে করে ড্রাম ভর্তি তেল আনা হয়। কোথা থেকে তেল সরবরাহ হয় সে ব্যাপারে তিনি অবগত নন।
খুলনার সহকারী বিস্ফোরক পরিদর্শক মুহাম্মদ আবুল হাশেম বলেন, অবৈধভাবে ছায়রা ফিলিং স্টেশনটি পরিচালনার জন্য কেন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, এ ব্যাপারে ১০ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য গত ২৩ সেপ্টেম্বর নোটিশ করা হয়। কিন্তু ওই প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে কারণ দর্শানো হয়নি। তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলে সেখানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হবে।
প্রসঙ্গত: পেট্রোলিয়াম আইন ২০১৬ এর ধারা-২০ (১) (ক) অনুসারে যদি কোনো ব্যক্তি এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের কোনো বিধান বা তদসংশ্লিষ্ট প্রণীত বিধির বিধানাবলী লঙ্ঘনপূর্বক পেট্রোলিয়াম আমদানি, পরিবহণ, মজুদ, বিতরণ, উৎপাদন, শোধন, মিশ্রণ বা প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে পুনঃব্যবহার করেন, তাহলে তিনি অনধিক ছয় মাস কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।