ডেস্ক রিপোর্ট : ১১ ফাল্গুন, মঙ্গলবার দিনব্যাপী খুলনার আকাশে মেঘ ভাসছিল। নদী অববাহিকা ও বিল এলাকায় কুয়াশার আধিপত্য ছিল। দুপুর আড়াইটার পর হতে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে স্বল্পস্থায়ী গুড়ি-গুড়ি বৃষ্টি হয়েছে। ওই বর্ষণ আবহাওয়া অফিসের হিসেবে রেকর্ডযোগ্য পরিামান ছিল না। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে মেঘমালা তৈরি হয়েছিল। দিনের তাপমাত্রাও ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে কমেছিল- প্রায় চার ডিগ্রি সেলয়িাস। এদিকে, নামেমাত্র এ বৃষ্টিপপাত কৃষিক্ষেত্রে কোন প্রভাব ফেলবে না বলে খুলনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।
জেলার নয় উপজেলাসহ মেট্রো অঞ্চলের দুই থানা এলাকায় এবার ৬৫ হাজার ৭শ’ ৭৮ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। রোপণের পর চারার বয়স এখন স্থানভেদে ২০ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে। কৃষক ও ক্ষেতমজুরেরা জমি থেকে আগাছা পরিষ্কার এবং সার প্রয়োগের কাজ করছেন। ৮ হাজার ৩শ’ ৬০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন শাক-সবজির আবাদ হয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত দু’ হাজার ৭শ’ ৭৫ হেক্টর জমির ফসল কাটা ও উত্তোলন হয়েছে। উৎপাদনের পরিমাণ ৫৫ হাজার ৫শ’ মেট্রিকটন। অন্যদিকে, ৬ হাজার ১শ’১৫ হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন শাক-সবজির আবাদ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। চাষীরা কোথাও রোপণের জন্য জমি প্রস্তুত করছেন, কোথাও শুরু করেছেন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
অধিদপ্তরের খুলনা জেলা উপ-পরিচালক নজরুল ইসলাম দৈনিক জন্মভূমিকে বলেন, যে বৃষ্টি হয়েছে, তাতেও মাটিও ঠিকমত ভিজবে না। ফসলের উপকারও হবে না, ক্ষতিও হবে না।
খুলনা জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান মঙ্গলবার বিকেল পাঁচ টার দিকে বলেন, সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি দুর্বল হয়ে গেছে। বুধবার বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। গত সোমবার খুলনায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকলেও মঙ্গলবার তা কমে ২৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসে। আজ প্রকৃতিতে মধ্য ফাগুনের নিয়মিত রূপ ফিরতে পারে।