ভুক্তভোগী জয়নাল আবেদিন অভিযোগ করে বলেন, খাউলিয়া ইউনিয়নের পশুরবুনিয়া গ্রামে তার পিতা ফকরুল ইসলামের ক্রয়কৃত ১৭ শতক জমিতে দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে শান্তিপ্রিয়ভাবে বসবাস করে আসছেন। বিগত আওয়ামী লীগের আমলে স্থানীয় একই গ্রামের প্রতিবেশী আব্দুল খালেক হাওলাদার ও তার লোকজন দলীয় প্রভাবখাটিয়ে জমিটি দখলে নেওয়ায়র পায়তারা করে। পরবর্তীতে সে নিরুপয় হয়ে বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের। বিজ্ঞ আদালত ওই জমিতে স্থিতিশীল বজায় রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন। আদালতের এ নির্দেশনা অমান্য করে প্রভাবশালী খালেক হাওলাদার তার ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে গত শুক্রবার রাতে ৫টি পাকা পিলার নির্মাণ করে। বাঁধা দিয়ে পুলিশকে অবহিত করা হলে নিকটস্ত ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজটি বন্ধ করে দেয়। তার পরেও প্রতি রাতে সে পাকা ইমারতের কাজ করে যাচ্ছেন। উল্টো সামাজিক মাধ্যম ফেজবুকে কৃষক দলের সভাপতি জয়নাল আবেদিনের বিরুদ্ধে ভাংচুর, মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এ চক্রটি। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় গ্রামবাসি সহ দলীয় নেতাকর্মীরা।
প্রতিবাদ সভায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক সাদিক শিকদার, কৃষক দল নেতা রুবেল হাওলাদার, শহিদুল ইসলাম, জাহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
উক্ত জমি বৃহস্পতিবার ভোররাতে কাজ চলছিলো। আমি খুলনা অবস্থান করছিলাম এ সুবাধে আব্দুল খালেক ভুমিদস্যুরা দখলের জন্য কাজ করছিলেন। বিজ্ঞ আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। কিভাবে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হয়ে লোকজন নিয়ে ইমারাত কাজ করে। আমার মা সহ পরিবারকে হুমকি প্রদান করেন। আমি প্রশাসনের প্রতি ন্যায় বিচার চাই।
আব্দুল খালেক হাওলাদার তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বিকার করে বলেন, অন্যের জমিতে নয় তিনি তার জমিতেই পাকা পিলার করেছেন। আদালত আমাকেই রায় দিয়েছেন।
নিকটস্ত সন্ন্যাসী ফাঁড়ির পুলিশের এএসআই আবজাল হোসেন বলেন, বিজ্ঞ আদলেতের নির্দেশ উভয় পক্ষ মেনে চলতে হবে। আপাতত খালেক হাওলাদারকে কাজটি বন্ধ রাখার জন্য বলা হয়েছে। এ বিষয়ে আদেশটি নিয়ে আদালতে স্বরনাপন্ন হওয়ার জন্য বলা হয়েছে।