প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ২৮, ২০২৬, ৬:৩০ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ এপ্রিল ২৮, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
খুলনায় এতিম শিশুদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী, ক্রীড়া সরঞ্জাম ও মৌসুমী ফল বিতরণ
নিজস্ব প্রতিবেদক : খুলনায় এতিম শিশুদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী, ক্রীড়া সরঞ্জাম ও মৌসুমী ফল বিতরণ করেছে মানবিক উন্নয়ন সংস্থা-ইমপ্যাক্ট ইনিশিয়েটিভ। মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় নগরীর সৈয়দ আলী হোসেন সড়কে রহুমা সমাজকল্যান সোসাইটির মিলনাতয়নে ইমপ্যাক্ট ইনিশিয়েটিভ-এর "অরফ্যান কেয়ার প্রোগ্রামের আওতায় এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে মোট ২৬ জন এতিম শিশু ও তাদের অভিভাবকদের হাতে এসব খাদ্য সামগ্রী, ক্রীড়া সরঞ্জাম ও মৌসুমী ফল তুলে দেওয়া হয়। উপহার সামগ্রীর মধ্যে ছিল ৩০ কেজি চাল, সয়াবিন তেল ৬ লিটার, ডাল (মসুর) ৩ কেজি, চিনি ৩ কেজি, মিল্ক পাউডার ১.৫ কেজি, নুডলস, ফুড প্যাক, হরলিক্সএর ৩ টি জার, বাদাম ১.৫ কেজি, বিস্কুট, মৌসুমি ফল ৬ কেজি, চকলেট এর ৩ টি জার। বই সেট (ছোটদের নবী-রাসূল সিরিজ),আর্ট বই, পেন্সিল, কলম, ইরেজার, পেন্সিল বক্স, স্কেল (রুলার), খাতা, রঙ পেন্সিল সেট, স্কুল ব্যাগ, আর্ট ফ্রেম ও ছাতা। এছাড়া ও ছেলেদের জন্য ১টি ক্রিকেট সেট (ব্যাট, বল, স্টাম্প সেট) খেলাধুলা সামগ্রী। মেয়েদের জন্য ১টি ব্যাডমিন্টন সেট (২টি ব্ল্যাকেট, ১ বক্স শাটলকক)। এর বাইরেও পড়াশোনা/ স্কুল ফি বাবদ প্রতিজন শিশুকে ৩৫০০ টাকা করে সম্পূর্ণ বছরের খরচ দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মো. ইমরান ( ডিএসবি)। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ড. জি এম শফিকুল ইসলাম, ডাক্তার জিন্নাত আলী। বক্তৃতা করেন সাংবাদিক মুহাম্মদ নূরুজ্জামান ও মাসুম বিল্লাহ ইমরান। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন এরিয়া প্রতিনিধি এস এ মুকুল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মো. ইমরান বলেন, ইমপ্যাক্ট ইনিশিয়েটিভ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় জনস্বাস্থ্য, স্বাস্থ্যসেবা, কারিগরি প্রশিক্ষণ, সমাজকল্যাণ, কৃষি ও জরুরী সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ২০২৩ সাল থেকে ইমপ্যাক্ট ইনিশিয়েটিভ "অরফ্যান কেয়ার প্রোগ্রাম"-এর আওতায় দেশের বিভিন্ন জেলায় এতিম শিশুদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিতকরণে বার্ষিক পরিকল্পনার আওতায় চার ধাপে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে থাকে। পাশাপাশি বছরে একবার খেলাধুলার সামগ্রী, দুইবার পোশাক, একবার হাইজিন প্যাক, একবার শিক্ষা সফর আয়োজন এবং সারা বছরের জন্য এককালীন শিক্ষা উপকরণ ও স্কুল ফি সহায়তা প্রদান করা হয়ে থাকে। যা এতিম শিশুদের জন্য কিছুটা হলেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। যা খুবই প্রশংসনীয়। এভাবে সমাজের বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তিদের এতিম ও অসহায় শিশুদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানান তিনি।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত