নিজস্ব প্রতিবেদক: খানজাহান আলী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাসের বিরুদ্ধে ওঠা জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি হলে সংশ্লিষ্ট নেতা ও তার সমর্থকরা এটিকে পরিকল্পিত অপপ্রচার হিসেবে অভিহিত করেছেন।
জানা যায়, সম্প্রতি মিরেরডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা লাভলু গাজী ও তার ছেলে সাজিদুল ইসলাম বাপ্পি স্থানীয় এই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলেন।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস বলেন, “আমি ১৯৯৬ সাল থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। যোগিপোল ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সদস্য, প্যানেল চেয়ারম্যান-১ এবং সর্বশেষ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছি। পাশাপাশি বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, বিদ্যালয় ও পাঠাগারের দায়িত্বসহ জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “ভূমিদস্যু ও চাঁদাবাজ বাপ্পি মূল ঘটনা থেকে মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে সরাতে গণমাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। দীর্ঘদিন ধরে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে রাজনৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব পালন করে আসছি। একটি কুচক্রী মহল আমার রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে।”
তিনি দাবি করেন, তার জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল করার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। একই সঙ্গে অভিযোগকারী লাভলু গাজী ও তার ছেলে সাজিদুল ইসলাম বাপ্পির বিরুদ্ধে স্থানীয়দের বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে স্থানীয় নেতাকর্মীরা অভিযোগের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, এটি একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। একজন সক্রিয় ও জনপ্রিয় নেতাকে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এমন অভিযোগ আনা হয়েছে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
তারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
উল্লেখ্য, অভিযোগের পক্ষে এখনো পর্যন্ত কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপিত হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট মহল জানিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।