পাইকগাছা প্রতিনিধি : হাইকোর্টের নির্দেশ উপেক্ষা করে পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদের বাঁধ বোরিং করে নোনা পানি ঢুকিয়ে ধান,মাছ ও ফসলাদি নষ্ট সহ আম,জাম ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছ-গাছালি ধ্বংসের পায়তারায় নেমেছে আওয়ামী দোসর ও জামায়াতের নেতারা। এব্যাপারে উপজেলা প্রশাসন সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ হয়েছে। জানাযায়,খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার পাউবো'র ৯নং পোল্ডারের বাঁকার চর নামক স্হানে সম্প্রতি খননকৃত কপোতাক্ষ নদের বাঁধ বোরিং করে নোনা পানি তুলছে স্হানীয় ৬নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি মোস্তফা গোলদার, বুলবুল আহমেদ,খলিল গোলদার,মেম্বর খালেক, শহিদুল, নুরু, ইসলাম,রহমান খাঁ,জেহের, মালেক,রফিকুল, দাউদ,আফতাব ও যুবলীগনেতা আনিছুর রহমান গংরা। তারা রাতের আঁধারে কপোতাক্ষ নদের বাঁধে বাঁকার চর এলাকার কয়েকটি স্হানে বোরিং করে নোনা পানি তুলছে। যার ফলে ধান ও মিঠাপানির মাছ মারা যাচ্ছে।অন্যদিকে বেগুন,করলা, ঢেড়স,তরমুজ,পেয়াজ, রসুন সহ বিভিন্ন প্রকার সবজি মৃত্যুর মুখে। অপরদিকে,আম,জাম,কাঁঠাল,কলা,নারিকেল সহ প্রজাতির গাছ-গাছালি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। গবাদি পশু রোগাক্রান্ত হয়ে যাচ্ছে।স্কুল,মসজিদ,মাদ্রাসা সহ বিভিন্ন প্রতিষ্টানের পলেস্টার খসে পড়ছে এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এব্যাপারে ভুক্তভোগি গনেশ চন্দ্র ঘোষ, হারুন, কামরুল,অছের,খালেক,এজহার,খুদারালি,জিয়ারুল,শহিদুল, মোজাহার,আলিম, রায়হান, মাও: শাহাদাত হোসেন সহ এলাকাবাসি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন। লিখিত অভিযোগে আরো উল্লেখ রয়েছে,উপজেলার রাড়ুলী ইউনিয়নের বাকার চর নামক স্হানে সাড়ে ৮শ জমি রয়েছে। ঐ লিখিত অভিযোগের সঙ্গে লবন পানি বিরোধী মহামান্য হাইকোর্টের রিটের রায়ের কপি(যার পিটিশন নং ৫৭/২০১০) সংযুক্ত করা হয়েছে।
ভুক্তভোগি মসজিদের ইমাম মাও: শাহাদাত হোসেন সহ শতাধিক লোক উল্লেখিত ঘটনাবলি দু:খের সহিত বর্ননা করেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত যুবলীগনেতা আনিছুর রহমান বলেন,৫আগষ্টের পরে আমি পাইকগাছায় যেতে পারিনি। যেতে পারলে কারা আমাদের নামে অভিযোগ করেছে দেখে নিতাম। পাইকগাছা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা
কৃষিবিদ এস এম মনিরুল হুদা জানান,লোনা পানি উত্তোলনে কোমলমতি শিশু সহ ধান,মাছ,ফসল-ফলাদি,গবাদিপশু ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছ-গাছালির ব্যাপক ক্ষাতি হবে।