ডেস্ক রিপোর্ট : গাজীপুরের কাপাসিয়ায় হত্যার শিকার গৃহবধূ, তার তিন কন্যা ও গৃহবধূর ভাইয়ের মরদেহ গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার (৯ মে) রাতে কাপাসিয়া থানায় গৃহকর্তা ফোরকান মিয়ার নামে হত্যা মামলা করেছেন গৃহবধূর বাবা সাহাদত মোল্লা।
শনিবার সকালে কাপাসিয়ার সদর ইউনিয়নের রাউৎকোনা গ্রামের সিঙ্গাপুর প্রবাসী মনির হোসেনের বাসা থেকে গলা কাটা অবস্থায় পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতরা হলেন, গোপালগঞ্জের গোপীনাথপুর এলাকার ফোরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন খানম, তাদের বড় কন্যা ১৫ বছরের মীম খানম, মেজো কন্যা ৮ বছরের উম্মে হাবিবা, ছোট কন্যা ২ বছরের ফারিয়া এবং শারমিনের ছোট ভাই রসুল মিয়া।
শারমিনের চাচা মো. উজ্জ্বল বলেন, ফোরকানের ছোট ভাই মিশকাত ঢাকার উত্তরা থাকেন। শনিবার সকালে মিশকাতকে সে ফোন দিয়ে বলে ‘সবগুলারে মাইরা ফালাইছি, আমারে আর পাবি না।’ এরপর থেকেই ফোরকানের ফোন বন্ধ রয়েছে।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে ফোরকান পালিয়েছেন। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাকে ধরা গেলে রহস্য উন্মোচন হবে।
কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর আলম মামলা বলেন, শারমিন খানমের বাবা গৃহকর্তা ফোরকানকে আসামি করে মামলা করেছেন। মামলায় আরও ৪-৫ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে।
তিনি জানান, ঘটনার পর থেকে গৃহকর্তা পলাতক রয়েছেন। ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার রাতে মরদেহগুলো লাশবাহী দুটি অ্যাম্বুলেন্স যোগে গোপালগঞ্জ পাঠানো হয়েছে। আসামিদের ধরতে পুলিশের তিনটি টিম কাজ করছে।