দশমিনা(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : চাঁদপুর জেলার ষাটনলের নৌ দূর্যটনা ট্রাজেডির ২৪ বছরেও নিহত পরিবারের মধ্যে এখনও শোকের মাতম এখনও বিরাজ করছে| পটুয়াখালী জেলার ৪টি উপজেলার প্রায় পাঁচ শতাধিক ব্যক্তির প্রানহানী ঘটে এই স্মরনকালের মর্মান্তিক লঞ্চ দূর্যটনায়| ২০০২ সালের ২রা মে চাঁদপুর জেলার ষাটনল নামক স্থানে মেঘনা নদীতে ঢাকা-রাঙ্গাবালীগামী এম.ভি.সালাউদ্দিন-২ লঞ্চটি প্রায় পাঁচ শতাধিক যাত্রী নিয়ে রওয়ানা দিলে উল্লেখিত স্থানে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়|
জেলার বাউফল,দশমিনা,গলাচিপা ও রাঙ্গাবালী উপজেলার প্রায় ৫শতাধিক যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে রাঙ্গাবালীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা এম.ভি সালাউদ্দিন-২ নামক লঞ্চটি চাঁদপুর জেলার ষাটনল নামক স্থানে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে উল্টে গিয়ে ডুবে যায়| ডুবে যাওয়া লঞ্চ থেকে বেঁচে যাওয়া দশমিনা উপজেলার হাজীরহাট গ্রামের যাত্রী জামাল এবং অলৌকিক ভাবে বেঁচে যাওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা সালেহ আহমদের ছেলে ফয়সাল বলেন, কিভাবে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচলাম তা বুঝতে না পারলেও বাবার করুন মৃত্যু আমার বিবেককে তাড়া করে বেড়ায়| তাদের ভাষ্যমতে হাতে গোনা কয়েকজন যাত্রী বেঁচে গেলেও অধিকাংশ যাত্রীই মৃত্যুবরন করেন| ভয়াবহ নৌ দূর্যটনার ২৪ বছর পরেও দূর্যটনায় নিহত পরিবারগুলোতে এখনও শোকের মাতম চলছে|