উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের গুয়াধানা গ্রামের বাসিন্দা নমিতা বিশ্বাস। তিন কন্যা সন্তানের জননী এই বিধবা নারী তার দুই বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছিলেন। বর্তমানে ধান কাটার মৌসুম চললেও এলাকায় তীব্র শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। তার ওপর প্রতি শ্রমিকের দৈনিক মজুরি ১২০০ টাকা হওয়ায় দরিদ্র এই কৃষাণীর পক্ষে ধান কাটা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। পাকা ধান মাঠে নষ্ট হওয়ার উপক্রম দেখে তিনি দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছিলেন।
বিষয়টি জানতে পেরে আজ সকালে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মাঠে হাজির হন সংসদ সদস্য এস এম জিলানী। তিনি নিজেই কাঁচি হাতে নিয়ে ওই বিধবা নারীর জমির ধান কাটা শুরু করেন। পরে নেতাকর্মীদের সহায়তায় ধান কেটে মাড়াই করে ওই নারীর ঘরে তুলে দেওয়া হয়।
ধান কাটা শেষে সংসদ সদস্য এস এম জিলানী বলেন আমাদের দল থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, যেসব অসহায় ও দরিদ্র কৃষক অর্থের অভাব বা শ্রমিক সংকটের কারণে ধান কাটতে পারছেন না, আমরা তাদের পাশে দাঁড়াব। তাদের ফসল নিরাপদে ঘরে তুলে দিতে পারলে তারা কিছুটা হলেও উপকৃত হবেন। জনকল্যাণে আমাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
সাংসদকে নিজের জমিতে ধান কাটতে দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন নমিতা বিশ্বাস। তিনি বলেন, টাকার অভাবে ধান কাটতে পারছিলাম না। এমপি সাহেব নিজে এসে আমার ধান কেটে দেবেন তা কল্পনাও করিনি। আমার খুব বড় উপকার হলো।
এ সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থেকে ধান কাটায় অংশ নেন।