1. mesharulislammonir1122@gmail.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন
  2. info@www.sangjogprotidin.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন :
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
খোকসা বিএনপি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী অনুষ্ঠিত ফুলতলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গৃহবধুর মৃত্যু যশোরে ৬ কেজি গাঁজা ও ১৬টি গাঁজা গাছ উদ্ধার : আটক ২ ভাঙ্গায় নিহত একই পরিবারের ৪জনের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম খোকসা ৮৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর ৪৪ টি প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য! উজিরপুরে সংখ্যালঘু পরিবারের শেষ সম্বল ভিটেমাটি দখলের অভিযোগ খুলনায় শহীদ জিয়ার শাহাদাৎ বার্ষিকীতে ছাত্রদলের দোয়া ও রক্তদান কর্মসূচি দিঘলিয়ায় হাজারো মানুষের কর্মসংস্থানের বাতিঘর সাগর জুট স্পিনিং মিলস্ লি খুলনায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গুর চিকিৎসা, ৮০ শতাংশ ছাড়ে মিলবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা

দশমিনার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গোলাপ জলদানী এখন বিলুপ্ত

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৪২ বার পড়া হয়েছে

দশমিনা(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন থেকে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গোলাপ জলদানী এখন বিলুপ্ত গেছে। গোলাপ জলদানী ইতিহাসের পাতা থেকে এখন ম্মৃতির আধার হয়ে গেছে। বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এই জলদানী দিয়ে গোলাপ জল ছিটিয়ে ব্যবহার করা হতো। প্রত্যন্ত গ্রামগঞ্জের জনপদের প্রভাবশালী ও ধনী লোকরা এই জলদানী ব্যবহার করতো। সত্তর কিংবা আশির দশকে গোলাপ জল ছিটানোর জন্য এই জলদানীর বিকল্প কিছুই ছিল না। বর্তমানে আধুনিকতার ছোঁয়ায় এবং নতুন নতুন যন্ত্রপাতি আবিস্কারের কারনে ঐতিহ্যবাহী পিতলের তৈরি খাঁজকাঁটা গোলাপ জলদানী এখন আর নেই।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামীন জনপদের বিত্তবান ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বাড়িতে এই গোলাপ জলদানীর দেখা মিলতো। পিতলের তৈরি এই জলদানীতে ৩টি অংশের মধ্যে নিচের অংশ ষ্টান্ড হিসাবে,মাঝের অংশ গোলাকার এবং উপরের অংশে খাঁজকাঁটা গোল চাকতিতে ৩ থেকে ৪টি সুক্ষ্ম ছিদ্র থাকে। পিতলের তৈরি এই জলদানী খুলে মাঝের গোল অংশে গোলাপ জল ভরার পর তা ছিটানো হয়। গ্রামীন জনপদে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান ছাড়াও বিয়েসাদী, মিলাদ, মাহফিল কিংবা কুলখানীতে গোলাপ জল ছিটিয়ে সুগন্ধ ছড়ানো হয়। বর্তমানে আধুনিকতা ও প্লাস্টিক সামগ্রী এবং অনুষ্ঠানাদি কমে যাওয়ায় পিতলের তৈরি এই জলদানীর কদর শেষ হয়ে গেছে। গ্রামের অনুষ্ঠানে জলদানী দিয়ে গোলাপজল ছিটানোর দৃশ্য এখন আর তেমন চোখে পড়ছে না। আধুনিকতার ছোঁয়ায় গোলাপ জলদানীর ব্যবহার বিলুপ্ত হয়ে গেছে। বর্তমানে আধুনিক মেশিনে কম দামের বিভিন্ন উপকরনে তৈরি করার কারনে পিতলের তৈরি জলদানীর কোন কদর নেই। আধুনিক মেশিনে সহজেই পন্য তৈরি করা যায় বিধায় গোলাপ জলদানীর ব্যবহার নেই। চাহিদা না থাকায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী গোলাপ জলদানী এখন বিলুপ্ত হয়ে গেছে। উপজেলা থেকে গ্রাম বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য হারিয়ে যাওয়ার বিষয়ে দশমিনা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও গণমাধ্যমকর্মী আহাম্মদ ইব্রাহিম অরবিল বলেন, এক সময়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সুগন্ধির জন্য গোলাপ জল ছিটানোর জন্য এই জলদানী ব্যবহার করা হতো। কালের আবর্তে ও আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রাম বাংলা থেকে এই গোলাপ জলদানী এখন বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।