1. mesharulislammonir1122@gmail.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন
  2. info@www.sangjogprotidin.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন :
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রামপালে দুর্বৃত্তদের হামলায় নারীসহ আহত ৫ খুলনায় ট্রিপল মার্ডার: প্রাথমিক তদন্ত শেষে যা জানাল পুলিশ বাগেরহাটে কোরবানির পশুর চামড়ার নির্ধারিত দাম পাচ্ছেন না বিক্রেতারা আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যু : বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে নোটিশ কুষ্টিয়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অর্ধশতাধিক আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সন্ত্রাসী আস্তানা উপড়ে ফেলা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ১০ দিনে পদ্মা-যমুনা সেতুতে টোল আদায় প্রায় ৬৪ কোটি টাকা দশমিনায় ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে সাংবাদিকের আত্নহত্যা জীববৈচিত্র রক্ষায় সুন্দরবনে প্রবেশ তিন মাসের জন্য নিষেধাজ্ঞা :দুশ্চিন্তায় বনজীবীরা নেত্রকোণায় বাসচাপায় মা ও দুই মেয়ে নিহত

খুলনায় ট্রিপল মার্ডার: প্রাথমিক তদন্ত শেষে যা জানাল পুলিশ

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট : খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা কাঁচাবাজার এলাকার বায়তুল আমান মহল্লায় শাশুড়ি ও দুই নাতিকে হত্যার ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক, ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। পারিবারিক বিরোধ ও দীর্ঘদিনের কলহই এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার পর একদিন পার হলেও প্রধান অভিযুক্ত রফিক এখনও পলাতক রয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিন রাতে ফাতেমা বেগম বেবির সঙ্গে অভিযুক্ত রফিকের পারিবারিক বিরোধ চরমে পৌঁছায়। ওই বিরোধের জেরে শাশুড়ি তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এর শোধ নিতেই শাশুড়ি ও তার দুই নাতিকে হত্যা করে রফিক বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
তদন্ত সংশ্লিষ্টদের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ৩০ মে রাত ২টা থেকে ভোর ৮টার মধ্যে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। এ সময় শাশুড়ি ফাতেমা বেগম ও তার দুই নাতি ১২ বছর বয়সী শামীম ও ৫ বছর বয়সী মোস্তাকিমকে চেতনানাশক মিশ্রিত খাবার খাইয়ে অচেতন করা হয়। পরে তাদের গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করা হয় বলে সন্দেহ করছে পুলিশ। হত্যার পর মরদেহগুলো ঘরের ভেতরে ওয়ারড্রপ ও ট্রাংকে লুকিয়ে রেখে ঘর তালাবদ্ধ করে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত।
ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়দের মাধ্যমে তথ্য পাওয়ার পর শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের দরজা ভেঙে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় নিহত শিশুদের বাবা মাসুম বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা থানায় রফিককে একমাত্র আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, তাকে ধরতে একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।
এ বিষয়ে খুলনা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে রফিককেই এই হত্যাকাণ্ডের জন্য সন্দেহ করা হচ্ছে। ঈদের দিন রাতে মেরির মা তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন এবং শাশুড়ির সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো ছিল না। বাচ্চাদের সঙ্গেও তার বিরোধ ছিল। এসব কারণেই শাশুড়িকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, ২৯ তারিখ রাত ২টা থেকে সকাল ৮টার মধ্যে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। এর আগে খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক দেওয়া হয়, যাতে ভুক্তভোগীরা চিৎকার করতে না পারে। পরে তাদের গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করা হয়। সন্দেহভাজন রফিককে গ্রেফতারে একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।
এদিকে এ ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্থানীয়রা দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আহ্বানও জানিয়েছেন তারা।

 

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।