1. mesharulislammonir1122@gmail.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন
  2. info@www.sangjogprotidin.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন :
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দশমিনায় নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে বেড়িবাঁধ ও বসতঘর মোরেলগঞ্জে পিটিয়ে হত্যা করে খালে ফেলে রেখেছে কৃষকের গরু উজিরপুরের শতাধিক কলাগাছ কেটে তছনছ ও চলাচলের রাস্তা দখলের অভিযোগ যশোর জেনারেল হাসপাতালে দুই নারী চোর আটক উজিরপুর উপজেলায় ফুটবলপ্রেমী কিশোরদের মাঝে ফুটবল বিতরণ মোরেলগঞ্জে নারীর প্রতি সহিংসতা নিরসনে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিএসএফ-কে আন্তর্জাতিক আদালতে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর দাবি নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর বেনাপোল সীমান্তে পুশইন চেষ্টা ব্যক্তিদের শূণ্যরেখা থেকে সরিয়েছে বিএসএফ দিঘলিয়া সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেন মো. সেলিম রেজা জীবননগর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার

দশমিনায় নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে বেড়িবাঁধ ও বসতঘর

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

দশমিনা(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় নদীর ভাঙনে ৩টি ইউনিয়নের ৬টি গ্রামের সড়কসহ বেড়িবাঁধ প্রতিনিয়ত ভেঙ্গে নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে| বর্তমানে দশমিনার হাজীরহাট ও বাঁশবাড়িয়ার ঢনঢনিয়া সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে| নদীর ভাঙনের ফলে বাঁশবাড়িয়া, ঢনঢনিয়া, হাজীরহাট ও আরজবেগীর বিভিন্ন স্থানে পূনরায় ভাঙন দেখা দিয়েছে| নদীর ভাঙনের ফলে উপজেলার মানচিত্রই পাল্টে যাচ্ছে| উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নে সূতাবাড়িয়া নদীতে ভাঙন অব্যাহত থাকায় প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা বিলীন হচ্ছে| ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্টে নদীর এই ভাঙন নতুন করে দেখা দিয়েছে| নদীতে ভাঙনের মাত্রা তীব্র আকার ধারন করায় ইতিমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার বিস্তীর্ন জনপদ নদীর ভাঙনের মুখে পড়েছে| নদীর ভাঙনে রনগোপালদী মাধ্যমিক ও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বাজার এবং বেড়িবাঁধ এখন হুমকির মুখে রয়েছে| স্থানীয় বাসিন্দারা ও ইউনিয়ন পরিষদের একজন সদস্য ¯ে^চ্ছাশ্রমের মাধ্যমে ৬০ হাজার টাকা ব্যয় করে অস্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মান করলেও এটিও ভাঙনের মুখে রয়েছে| নদীর ভাঙন সরেজমিনে পরিদর্শন করার পরেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি|
উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের সূতাবাড়িয়া নদীতে হঠাৎ করেই নদীতে ভাঙন দেখা দিয়েছে| প্রতিদিন সংশ্লিষ্ট এলাকার আশেপাশের আবাদি-অনাবাদি ও বসতঘর নদীর ভাঙনে হারিয়ে যাচ্ছে| অস্থায়ী বাঁধ দিয়েও নদীর ভাঙন থেকে রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না| নদীর অব্যাহত ভাঙনে উপজেলার নদী তীর রক্ষা বাঁধের ৮ কিলোমিটার নদীর মধ্যে ইতিমধ্যে বিলীন হয়ে গেছে| অবশিষ্ট রক্ষাবাঁধ এখন হুমকির মুখে রয়েছে| নদীর পশ্চিম অংশে চর জেগে উঠায় পানির চাপ পরিবর্তন হওয়ায় নদীর গতিপথও পরিবর্তন হয়ে গেছে| ফলে নদীর পূর্ব অংশে গড়ে উঠা জনপদ ভাঙনের মুখে আছে| নদীর পানি বৃদ্ধি এবং প্রবল চাপের কারনে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন এলাকা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে| ঘূর্নিঝড় আ¤ফান’র আঘাত ও নানা প্রাকৃতিক দূর্যোগের পর থেকেই অত্র ইউনিয়নের পূর্ব ও পশ্চিম রনগোপালদীর বিভিন্ন এলাকায় নদীর ভাঙনের মাত্রা তীব্র আকার ধারন করেছে| ভাঙন কবলিত এলাকার শত শত পরিবারের আবাদি-অনাবাদি জমি, বসতভিটা নদী গর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে| ইউনিয়নের একমাত্র সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার মুখে রয়েছে| নদীর ভাঙন ঠেকাতে কোন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না| অত্র ইউনিয়নে নদীর ভাঙন ঠেকাতে কোন পরিকল্পনা গ্রহন করা হচ্ছে না| ¯^াধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও নদীর তীর ও সংলগ্ন এলাকা রক্ষার জন্য কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি| ইউনিয়নের পূর্ব অংশে অচিরেই বেড়িবাঁধ নির্মান করা না হলে নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা চরম হুমকির মুখে পড়বে| ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষের অনাগত ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহন করা প্রয়োজন|
উপজেলার ৭টি ইউনিয়নেই নদীর ভাঙন দেখা দিয়েছে| ভাঙন অব্যাহত থাকায় প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা বিলীন হচ্ছে| উপজেলার বাঁশবাড়িয়া,ঢনঢনিয়া, হাজীরহাটের বিভিন্ন পয়েন্টে নদীর এই ভাঙন তীব্র আকার ধারন করেছে| উপজেলার প্রধান দুইটি নদী তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গ নদী এখন রাক্ষুসে রূপ নিয়েছে| ভাঙনের তীব্রতায় উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ঢনঢনিয়া এবং সদর ইউনিয়নের হাজীরহাট, আরজবেগী গ্রাম এখন হুমকির মুখে রয়েছে| মাত্র এক দিনের ব্যবধানের মধ্যে ঢনঢনিয়া ও হাজীরহাট গ্রামের নদীর তীরবর্তী এলাকা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে| ভাঙন কবলিত এলাকার তীর রক্ষা বাঁধ যে কোন মুহুর্তে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে| তবে ভাঙন কবলিত হাজীরহাট ও ঢনঢনিয়া গ্রামের নদী তীরবর্তী এলাকায় কোন ব্লক নির্মান না করায় নদীর এই অংশে সব চাইতে বেশী মাত্রায় ভাঙন দেখা দিয়েছে|
এদিকে উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নটির চারদিকেই নদী দ্বারা বেষ্টিত থাকায় জীবন ও জীবিকা, শিক্ষা, চিকিৎসা এবং বাসস্থানসহ সকল নাগরিক অধিকার থেকে বাসিন্দারা বঞ্চিত রয়েছে| চরবোরহান ইউনিয়নটি উপজেলার মূল ভূখন্ড থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন একটি ইউনিয়ন| ভূ-খন্ডের চারদিকে নদী থাকায় নৌপথই যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম| প্রাকৃতিক দূর্যোগের সঙ্গে সংগ্রাম করে ইউনিয়নের বাসিন্দারা যুগের পর যুগ বসবাস করে আসছে| অথচ আধুনিক যুগে এসেও ইউনিয়নটিতে উন্নয়নের কোন ছোঁয়া লাগেনি| বর্তমানে চরবোরহান ইউনিয়ন নদীর ভাঙনের কবলে পড়েছে| চলতি বর্ষা মৌসুমের আগেই বাঁধ নির্মান করা না হলে ইউনিয়নের বিস্তীর্ন জনপদসহ অসংখ্য পরিবার গৃহহারা হয়ে যাবে|

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।