1. mesharulislammonir1122@gmail.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন
  2. info@www.sangjogprotidin.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন :
সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মোরেলগঞ্জে ব্যবসায়ীর পরিবার আতংকে, হামলা ভাংচুর মারপিটে আহত ৩ ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে আর কত প্রাণ ঝরলে ৬-লেনে উত্তির্ন হবে? এফসিপিএস অধ্যাদেশ বাতিল ও ভাতার দাবিতে যশোরে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি যশোর প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ইউপি সদস্য আটক যশোর মুক্তেশ্বরী নদী রক্ষা ও দখলমুক্ত করার দাবিতে স্মারকলিপি কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান দিঘলিয়া উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভা অনুষ্ঠিত বটিয়াঘাটায় চেতনা নাশক ঔষুধ দিয়ে চুরির চেষ্টা মূলশ্রী গ্রামের খাল কচুরিপানায় ভরাট, পরিষ্কারের দাবিতে ইউএনওর কাছে আবেদন রকিব উদ্দিন পান্নুকে আহ্বায়ক করে খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের কমিটি গঠন

তালায় পাখিমারা বিলে টিআরএম কার্যক্রমের বকেয়া ক্ষতিপূরণের দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলন

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১১৭ বার পড়া হয়েছে

তালা প্রতিনিধি : কপোতাক্ষ নদের জলাবদ্ধতা দূরীকরণ প্রকল্পের আওতায় সাতক্ষীরার তালা উপজেলার পাখিমারা বিলে বাস্তবায়িত জোয়ার-ভাটা তথা টিআরএম কার্যক্রমের বকেয়া ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তির দাবীতে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় পাখিমারা টিআরএম বিল কমিটি কর্তৃক আয়োজিত আঃ সালাম গণগ্রন্থাগার হল রুমে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শ্রীমন্তকাটি গ্রামের গোলদার আশরাফুল হক।
সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, কপোতাক্ষ অববাহিকার জলাবদ্ধতা দূরীকরণের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক তালা উপজেলার পাখিমারা বিলে টিআরএম তথা জোয়ারাধার কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে। এতে বিশাল কপোতাক্ষ অববাহিকাকে জলাবদ্ধ মুক্ত করা সম্ভব হয়েছে কিন্তু ব্যাপক ভোগান্তি হয়েছে পাখিমারা বিল অধিবাসীদের। ২০১১-১২ অর্থবছরে টিআরএম কার্যক্রমের আওতায় পাখিমারা বিলের চারিধারে পেরিফেরিয়াল বাঁধ নির্মাণ এবং বিলের সাথে জোয়ার-ভাটা যুক্ত করার জন্য সংযোগ খাল খনন করা হয়। ২০১৫ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ৬বছর এ বিলের ১৫৬২ একর জমিতে জোয়ার-ভাটা কার্যক্রম চালু রাখা হয়। বিলে জোয়ার-ভাটা চালু রাখার মেয়াদ পর্যন্ত জমির মালিকদের ফসলের ক্ষতিপূরণ প্রদানে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিলে ৬ বছর টিআরএম বাস্তবায়িত হয়েছে কিন্তু জমির মালিকদের জন্য ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে মাত্র ২ বৎসরের। অনুমোদিত অর্থ এবং ৪ বৎসর বরাদ্দ না পাওয়া টাকা সব মিলিয়ে সরকারের কাছে জনগণের পাওনা টাকার পরিমাণ প্রায় ৪৮ কোটি টাকা।
তিনি বলেন, কপোতাক্ষ নদের জলাবদ্ধতা দূরীকরণ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের আগে বিশাল কপোতাক্ষ অববাহিকার অধিকাংশ এলাকা দীর্ঘদিন যাবত ভয়াবহ জলাবদ্ধতায় আক্রান্ত ছিল। প্লাবিত হতো ফসলী জমি, মৎস্য ঘের, বসতি এলাকা, স্কুল, কলেজ, রাস্তাঘাট সহ বিভিন্ন সেক্টর। এলাকা থেকে ভুক্তভোগী মানুষ স্থায়ী অস্থায়ী ভাবে চলে যেতো অন্য জায়গায়। মানুষের সীমাহীন এই দুঃখ কষ্টের কথা বিবেচনা করে আমরা পাখিমারা বিলে টিআরএম বাস্তবায়নে আমরা সম্মত হয়েছিলাম। টিআরএম বাস্তবায়ন দ্বারা কপোতাক্ষ অববাহিকার প্রায় ১৫ লক্ষ অধিবাসী প্রত্যক্ষভাবে এবং প্রায় ৪০ লক্ষ অধিবাসী পরোক্ষভাবে উপকৃত হয়েছে। এলাকার নদী তার জীবন ফিরে পেয়েছে এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে আমরা পাখিমারা বিল অধিবাসীরা সীমাহীন দুঃখ কষ্টের মধ্যে পড়েছি। ৬ বৎসর যাবৎ এলাকার জনগণ ফসল উৎপাদন করতে পারিনি, এলাকায় কর্মসংস্থানের তীব্র অভাব দেখা দিয়েছে। অর্থাভাবে ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গেছে, মানুষ ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়েছে এবং অভাব অনটনের মধ্যে অর্ধাহার অনাহারে মানুষ তার জীবন অতিবাহিত করতে হচ্ছে। যদি সরকারের নিকট থেকে বকেয়া ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায় তাহলে এলাকার মানুষ এ সমস্যা থেকে কাটিয়ে উঠতে অনেকটা সক্ষম হবে।
ভুক্তভোগিরা আরো বলেন, বকেয়া ক্ষতিপূরণ পাওয়ার দাবীতে ইতিপূর্বে পাখিমারা বিল অধিবাসীরা পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ও সচিব বরাবর আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু এ বিষয় এখনো কোন ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি। এ সময় তারা সরকারের নিকট থেকে যাতে বকেয়া ক্ষতিপুরণের অর্থ দ্রুত পেতে পেতে পারে এবং নদীর নাব্যতা রক্ষার জন্য বিভিন্ন এলাকায় টিআরএম ব্যবস্থা আবার চালু হয় সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।