1. mesharulislammonir1122@gmail.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন
  2. info@www.sangjogprotidin.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন :
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়ার মির্জাপুর মহাশ্মশানে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, এলাকাজুড়ে উদ্বেগ সংযোগ সড়কহীন নলিয়া সেতু: ৫ কোটির অবকাঠামো দাঁড়িয়ে আছে ‘নীরব দর্শক’ হয়ে দুই সীমান্তে ঠেলে দেওয়া ২১ জনকে সরিয়ে নিল বিএসএফ ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে এমপি শেখ মজিবুরের মামলার আবেদন ‘চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের যৌক্তিকতা দেখে ব্যবস্থা’ পুশইনের শঙ্কায় সীমান্তে বিজিবির বিশেষ নজরদারি ইরান-ইসরায়েল পাল্টাপাল্টি হামলা, তিন শহরে বিস্ফোরণ পলাতক সাবেক ডিবি প্রধান হারুনের সম্পদ জব্দে আইনি প্রক্রিয়া শুরু মোরেলগঞ্জে জিয়া মঞ্চের উপজেলা কমিটি গঠন নিজের দৃড় মনোবল প্রবল ইচ্ছা শক্তি থাকলে সফলতা যে ধরা দিবেই তারই উদাহরণ রিপন দাস

নিজের দৃড় মনোবল প্রবল ইচ্ছা শক্তি থাকলে সফলতা যে ধরা দিবেই তারই উদাহরণ রিপন দাস

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক: রিপন দাস খুলনা জেলার ডুমুরিয়া থানার অর্ন্তগত দক্ষিণ চিংড়া গ্রামে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করে। পাঁচ ভাই বোনের মধ্যে রিপন দাস সবার ছোট। নিজেদের বাড়ির বসবাসের সামান্য জমি ছাড়া আর কোন সম্পত্তি না থাকায় রিপনের বাবা দিন মজুরের কাজ করে সংসার পরিচালনা করতেন, পরিবারে বোনেরা বড় হওয়ায় বাবার কাজে তেমন সহযোগিতা করতে পারতো না। এজন্য পিতার সামান্য আয়ে সংসার পরিচালনা করা কষ্টকরছিল।
রিপন দাস এমন সীমাবদ্ধতার মধ্যেও নিজের লেখাপড়া চালিয়ে যেতে থাকে। পড়াশোনার পাশাপাশি পিতার সাথে নিজেও মজুরের কাজ করতো মাঝে মধ্যেই। এভাবে দশম শ্রেণীতে উঠার পরে রিপনের ভাগ্য যেন আরো প্রতিকূলে চলে যায়। হঠাৎ দূর্ঘটনার শিকার হয়ে রিপনের পিতা অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের আয় বন্ধ হয়ে যায়। ইতিমধ্যে রিপনের এসএসসি পরিক্ষার ফরম ফিলাপের টাকার প্রয়োজন হয়। অনেক চেষ্টা করেও টাকা জমা দিতে ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে রিপনের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে
যায়। এমন সময় কি করবে ভেবে না পেয়ে নিরুপাই হয়ে নিজেই মজুরির কাজ করে কিছু দিন। কিন্তু মজুরের কাজ অনেক কষ্টের অথচ কোন সম্মান নেই। এজন্য মজুরির কাজ ছেড়ে স্থানীয় ডুমুরিয়া বাজারে একটি ওয়েল্ডিং দোকানে কাজ শুরু করে।
প্রথমে কাজে কোন অভিজ্ঞতা না থাকায় বেতন দিতো না। অল্প কিছু দিনের মধ্যে কিছুটা দক্ষ হয়ে উঠলে বেতন পেতে শুরু করেন। এই বেতন থেকে রিপন কিছু কিছু সঞ্চয় করা শুরু করে। এভাবে ৩/৪ বছর ধরে কাজ করে সঞ্চয় করে ভালো একটা টাকা জমা হয়। এবার রিপনের মনোবল আরোও বেড়ে যায়, সে একদিন বড় হবে নিজে ব্যবসা দিবে এমন চিন্তা থেকে নিজের জমানো টাকা দিয়ে বাড়িতে গরু কিনে পোষা শুরু করে যাহাতে ভবিষ্যতে দোকান দিতে কোন বেগ পেতে না হয়। এভাবে প্রায় সাত বছর ধরে চলতে থাকে রিপনের স্বপ্ন জয়ের রথ।
২০২৪ সালের মে মাসের প্রথম সপ্তাহের দিকে রিপন দাস যে দোকানে চাকরি করে সেই দোকানে সার্ভে করতে যেয়ে রিপনের সাথে ব্র্যাকের প্রমিজ প্রকল্প নিয়ে কথা বলা হয়। প্রকল্প সম্পর্কে বুঝতে পেরে রিপন অনেক খুশি হয় এবং প্রশিক্ষণ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করে। রিপনের সাথে কথা বলে বোঝা যায়, সে এতদিন এমন একটি সুযোগের অপেক্ষায় ছিল।
পরবর্তীতে রিপনের বাড়িতে যেয়ে অভিভাবকদের সাথে কথা বলে চুড়ান্ত ভাবে কর্মসূচিতে অংশ গ্রহন করানো হয়।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের পাশাপাশি রিপন ব্যবসা দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকে যেমন: ট্রেড লাইসেন্স ও আর্থিক পুজি হিসাবে পূর্বের পোষা গরু বিক্রি করে এবং নিজের জমানো সঞ্চয় দিয়ে
ডুমুরিয়া বাজারে দোকান ঘর ভাড়া নেয় প্রয়োজনীয় মালামাল ক্রয় করে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবসা শুরু করে। এক বছরের মধ্যে বর্তমানে রিপনের দোকানে চারজন কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছেন রিপনের নিজের পরিশ্রম চেষ্টা এবং ব্রাকের উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণথেকে সঠিক নিদের্শনা ও সহোযোগিতার মাধ্যমে রিপনের নিজের স্বপ্নকে জয় করতে পেরেছে।
আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।