
কপিলমুনি প্রতিনিধিঃ চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না হওয়ার খোড়া অজুহাতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট সৃষ্টি করে বেশী দামে বিক্রি করায় ইরি ব্লক চাষীদের মাথায় হাত উঠেছে।
অভিযোগে প্রকাশ, কপিলমুনি বাজারের পালহাটা সড়কে অবস্থিত মেসার্স সাধু খাঁ ষ্টোর এর স্বত্ত্বাধিকারী সঞ্জয় সাধু ডিজেলের তীব্র সংকট দেখিয়ে ইরি ব্লক চাষীদের নিকট বেশী দামে বিক্রি করছে। সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসায় কৃষকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেরই সঞ্জয়ের সাথে তর্কে জড়াতে দেখা গেছে। সুচতুর সঞ্জয় তেল নেই বলে এড়িয়ে গেলেও ব্লক চাষীরা ইরি ক্ষেতে পানি দেবার প্রয়োজনিয়তায় ১০২ টাকার ডিজেল ১৩০ থেকে ১৫০ দামে ক্রয় করতে বাধ্য হয়েছে নাছিরপুর গ্রামের ব্লক চাষী আমির আলী জোয়াদ্দার, ফেরদৌস সরদার, আব্দুল লতিফ গাজী, কেসমত গাজী, আব্দুল গনি গাজী, ইউনুচ গাজীসহ অনেকই।
প্রয়োজনের তুলনায় তেল খুব অল্প এমন ঠুনকো অজুহাতে গতকাল থেকে বাজারে যারা পেট্রোল ডিজেলের ব্যবসা করে তারা অধিক মুনাফার আশায় তেল নেই বলে এড়িয়ে যাচ্ছে। কেউ কেউ সঠিক দাম নিচ্ছে আবার অনেকে বেশী দামে বিক্রি করছে। ব্লক চাষীরা দৈনন্দিন সময় মতো তেল না পাওয়ার ও পেলেও বেশী দামে ক্রয় করার দুশ্চিন্তায় মাথায় হাত উঠেছে, লবনাক্ত এলাকায় বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন ব্যয়বহুল ইরি ব্লক লাগানো হয়েছে তা যদি সময় মত তেল ( কীটনাশক) পানি সেচ না দিতে পারে তবে ভোগান্তির শেষ নেই বলে জানিয়েছে হোসেন মল্লিক। দুপুরে উক্ত দোকানে গেলে বন্ধ পাওয়া যায়, মোবাইলে যোগাযোগের চেস্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
মটর সাইকেল চালক হাফিজুর রহমান জানান, কপিলমুনিতে ২/৩ খুচরা দোকান ঘুরে এক জায়গা থেকে ১০ টাকা বেশী দিয়ে তেল নিয়ে জরুরী কাজে সাতক্ষীরা গিয়ে ফেরার সময় ঘন্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও মাত্র ৩০০ টাকার তেল নিয়েছি। ব্যবসায়ী কাজে দূরপাল্লায় যাতায়াত করা তাদের জন্য বেশ কষ্টকর হয়ে পড়ছে। সরকারী ঘোষনার আগেই কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বেশী দামে পেট্রোল ডিজেল বিক্রি করলেও প্রশাসনের কোন তদারকি নেই, জরুরীভাবে মনিটরিং এর দাবী জানিয়েছে ভুক্তভোগী মানুষ।
অন্যদিকে জ্বালানি সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন ভোক্তারা। তাদের আশঙ্কা, সংকট দীর্ঘায়িত হলে কৃষি ও পরিবহন খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর প্রভাব পড়তে পারে।