
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি : সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দেশব্যাপী ‘নদী-নালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন
ডুমুরিয়ার খাল খননের ফলে এলাকার কৃষকরা সহজে সেচ সুবিধা পাবেন। পানির অভাবে যেন কোনো জমি অনাবাদি না থাকে, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষকদের দিকে তাকিয়ে কৃষকের ১০হাজার টাকা ব্যাংক লোন মাফ করে দিয়াছেন। খাল খননে একটি টাকাও অপচয় হতে দেয়া হবে না।
বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হয়ে যেন জনপদে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হয় এবং ফসল ডুবে না যায়, খাল খননের এটি অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন।
শুকনো মৌসুমে ব্যবহারের জন্য খালের পানি ধরে রাখা এবং ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর ঠিক রাখতে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ওপর জোর দেন।
কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে। তিনি আরো বলেন, “খাল খননে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। কাজের মান ঠিক রেখে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্পটি শেষ করতে হবে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মোট ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, নালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। মূলত পানির নাব্যতা বৃদ্ধি এবং কৃষি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই মেগা প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছে।
প্রথম পর্যায়ে দেশের ৫৪টি জেলায় এ কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এই উদ্যোগ বা সততা বায়নের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন, সেচব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও জলাধার সংরক্ষণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে এ কর্মসূচি শুরু করেছেন। জিয়াউর রহমান তাঁর শাসনামলে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন, যা গ্রামীণ অর্থনীতি, কৃষি উৎপাদন ও সেচব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। বর্তমান উদ্যোগকে সেই কর্মসূচির ধারাবাহিকতা হিসেবে খাল গনন হচ্ছে।
১৭ মার্চ দুপুর ১২টায় গুটুদিয়া ইউনিয়নের টিয়াবুনিয়া পূন:খনন অনুষ্ঠান সুইচগেট পার্শ্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোখতার আহমদ,
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ মাননীয় হুইপ রকিবুল ইসলাম এমপি
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ রেজাউল হক পিপিএম, খুলনা জেলা প্রশাসক আ স ম জামশেদ খোন্দকার, খুলনা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, খুলনা জেলা পরিষদ প্রশাসক এস এম মনিরুল ইসলাম বাপ্পী, রাপাউবো খুলনা অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড, মোঃ আবুল বাশার, খুলনা এলজি ই ডির নিবাহীপ্রকৌশলী মোঃ কামরুল ইসলাম সরদার,
খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জ্বল কুমার সেন, ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি অমিত কুমার বিশ্বাস, ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর আলম, ডুমুরিয়া উপজেলা মডেল মসজিদের সহকারী ইমাম মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা করুণা মন্ডল,প্রমুখ।। আলোচনা সভা শেষে খালের মাটি কোদাল দিয়ে কেটে শুভ উদ্বোধন করেন।
সঞ্চালনায় ছিলেন ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সবিতা সরকার।