1. mesharulislammonir1122@gmail.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন
  2. info@www.sangjogprotidin.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন :
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৭:১৬ অপরাহ্ন

পাইকগাছায় সমতল কৃষি জমির মাটি যাচ্ছে ইট ভাটায়

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

পাইকগাছা প্রতিনিধি : খুলনার পাইকগাছায় অবৈধভাবে নির্মিত ইট ভাটাতে যাচ্ছে সমতল কৃষি জমির মাটি। পুড়ানো হচ্ছে কাঠ। প্রশাসন রয়েছে নিরব দর্শকের ভুমিকায়।
উপজেলা জুড়ে মোট ১৬ টি ভাটা রয়েছে। যার মধ্যে চাঁদখালীতে মোট ১২ টি ভাটার সবগুলোই অবৈধ।
জানা গেছে একটিরও পরিবেশ অধিদপ্তরের বৈধ ছাড়পত্র ও কোন লাইসেন্স নেই। এই ভাটাগুলোতে সরকারি ওয়াবদার রাস্তা ও খাস জমির মাটি কেটে এবং কাঠ পুড়িয়ে ইট পোড়ানো হচ্ছে।
এদিকে কোথাও ইটভাটা পরিচালনার নিয়ম নীতির বালাই নেই। গভীর রাতে ভেকু মেশিন দিয়ে সমতল কৃষি জমি থেকেও দেদারসে মাটি কেটে ভাটাতে ট্রলি যোগে নেয়া হয়। ওয়াদার পাশে সরকারী খাস জমি থেকেও মাটি নিয়ে জমির ক্ষতি সাধন করছে। কিন্তু ওয়াপদা কর্তৃপক্ষ চোখ বন্ধ করে আছে।

অবৈধ ভাটাগুলো হলো হরিঢালীর মজিদ মোড়লের যমুনা ব্রিকস ১ ও ২, গদাইপুর মুজিবুর রহমানের ফাইভ স্টার, ফতেমা রহমানের এফএফবি, চাঁদখালীর নাজমুল হুদা মিথুনের এসএমবি, মহিউদ্দিন খানের বিএকে, বাদশার খানের খান ব্রিকস, মুনছুর গাজীর এস এম ব্রিকস, আবদুল হালিমের স্টার ব্রিকস, আবদুল মান্নান গাজীর বিবিএম ব্রিকস, আবদুল জলিলের এডিবি ব্রিকস, শহাজাদা ইলিয়াসের এমএসবি ব্রিকস, সিরাজুল ইসলামের এসবিএম ব্রিকস, শফিকুল ইসলামের এমবিএম ব্রিকস।
এদিকে রাড়ুলী ইউনিয়নে মিনারুল ইসলাম ও ডালিম সরদারের ইটের ভাটা। সরজমিনে জানা গেছে চাঁদখালীর শফিকুল ইসলাম তার ভাটার বিষয়ে বলেন, প্রশাসনকে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে ভাটা চালাচ্ছি। খান ব্রিকসের মালিক বাদশা খান বলেন, কাগজ পত্র কি করবো ভ্রাম্যমান আদালতে কিছু জরিমানার টাকা দিলেই তো আর সমস্যা থাকেনা। সাংবাদিকদের কিছু টাকা দিলেই আর কিছু করা লাগেনা। এরপরও গত ২১ জানুয়ারী পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে উপজেলার চাঁদখালীর গড়ের ডাঙ্গায় অবস্থিত এডিবি ভাটা, বিবিএম ভাটা ও স্টার ভাটার চিমনি ভেকু মেশিনের মাধ্যমে গুড়িয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে এসব ভাটায় মজুদ থাকা বিপুল পরিমাণ কাঁচা ইট বিনষ্ট করা হয়। খুলনা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হারুন-অর-রশীদ এ অভিযান পরিচালনা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) ফজলে রাব্বী।
এ সময় দায়িত্ব নিয়োজিত কতৃপক্ষরা জানিয়ে ছিলেন বাকি অবৈধ ইটভাটা গুলো পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ করা হবে। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে আজও পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফজলে রাব্বীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি পরিবেশ অধিদপ্তরের। তারা যখন পদক্ষেপ নিবেন তখনই আমরা সহযোগিতা করতে পারি।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট