1. mesharulislammonir1122@gmail.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন
  2. info@www.sangjogprotidin.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন :
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৩৯ অপরাহ্ন

হরমুজে টোল দিলে নিষেধাজ্ঞার ঘোষণার যুক্তরাষ্ট্রের

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬
  • ৭০ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট : মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত থেকে ‘সম্মানজনক’ বিদায়ের জন্য ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি চাইছে যুক্তরাষ্ট্র। তাই তেহরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা, নৌ অবরোধ আরোপের পাশপাশি নতুন কর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াচ্ছে ওয়াশিংটন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্রমাগত জোর দিয়ে বলছেন যে, ইরানকে আর্থিকভাবে চাপে ফেলার তার কৌশল সফল হবে।
তার দাবি, হরমুজ প্রণালির অবরোধের কারণে ইরানিদের লাখ লাখ ডলার ক্ষতি হচ্ছে। ইরানের অভ্যন্তরে ব্যক্তি ও সংস্থাগুলোর ওপর চলমান নিষেধাজ্ঞা অর্থনৈতিক প্রভাব ফেলছে। তেহরানকে অর্থনৈতিকভাবে ঘায়েল করতে পেরেছেন বলে আত্মবিশ্বাস দেখা গেছে তার মাঝে। যদিও ইরানি নেতৃত্ব বলছে, তারা কোনো চাপের মুখেই নতি স্বীকার করবে না।
‘আত্মবিশ্বাসী’ ট্রাম্প মনে করছেন, ইরানের ওপর তিনি যে চাপ সৃষ্টি করছেন, তা তেহরানকে তার শর্তে একটি চুক্তি নিয়ে আলোচনার টেবিলে বসতে বাধ্য করবে।
মার্কিন অর্থ দপ্তর ঘোষণা করেছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতের জন্য যারা বা যেসব দেশের পতাকাবাহী জাহাজ ইরানি কর্তৃপক্ষকে টোল প্রদান করবে, সেসব সংস্থা ও ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। অর্থাৎ টানা ৪১ দিনের যুদ্ধে হরমুজ প্রণালির একক নিয়ন্ত্রক হিসেবে ইরানের আবির্ভূত হওয়া মানতে নারাজ যুক্তরাষ্ট্র। সুতরাং ইরানি কর্তৃপক্ষের কোনো নির্দেশনা গ্রাহ্য করা ‘অপরাধ’ হিসেব গণ্য করছে তারা।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ‘মেরিটাইম ফ্রিডম কনস্ট্রাক্ট’ নামে একটি নতুন ব্যবস্থার ঘোষণা দিয়েছে। এই নীতিমালা বা পদ্ধতিগত ব্যবস্থার নেতৃত্ব দেবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম। ধারণা করা হচ্ছে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করতে ইউরোপের নেতৃত্বাধীন যে জোটের প্রত্যাশা ট্রাম্প প্রশাসন করেছিল, সেটাই এই জোট। যদিও এ বিষয়ে এখনও স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যায়নি।
তবে আরেকটি অনুমান হলো, এটা জাহাজগুলোর এমন একটি জোট, যারা মার্কিন শর্তে রাজি হয়ে প্রণালি ব্যবহারের অনুমতি পাবে। অর্থাৎ কোনো টোল প্রদান না করেই যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর জাহাজের প্রহরায় এই সংর্কীণ জলপথ ব্যবহার করতে পারবে। এতে ইরানের দাবি করা, টোল পদ্ধতি কার্যত ভেঙে পড়বে এবং দেশটি যে আর্থিক সুবিধা লাভের চেষ্টা চালিয়েছিল, সেটাও অকার্যকর হয়ে পড়বে। ফলে যুদ্ধপরবর্তী সময়ে অর্থনৈতিক চাপের মুখে পড়বে ইরান।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।