1. mesharulislammonir1122@gmail.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন
  2. info@www.sangjogprotidin.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন :
সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মোরেলগঞ্জে ব্যবসায়ীর পরিবার আতংকে, হামলা ভাংচুর মারপিটে আহত ৩ ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে আর কত প্রাণ ঝরলে ৬-লেনে উত্তির্ন হবে? এফসিপিএস অধ্যাদেশ বাতিল ও ভাতার দাবিতে যশোরে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি যশোর প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ইউপি সদস্য আটক যশোর মুক্তেশ্বরী নদী রক্ষা ও দখলমুক্ত করার দাবিতে স্মারকলিপি কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান দিঘলিয়া উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভা অনুষ্ঠিত বটিয়াঘাটায় চেতনা নাশক ঔষুধ দিয়ে চুরির চেষ্টা মূলশ্রী গ্রামের খাল কচুরিপানায় ভরাট, পরিষ্কারের দাবিতে ইউএনওর কাছে আবেদন রকিব উদ্দিন পান্নুকে আহ্বায়ক করে খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের কমিটি গঠন

সাতক্ষীরায় ১৫০টাকার কাঁচা মরিচ হটাৎ ৪০০ টাকা কেজি!

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২২৩ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার বাজারে কাঁচামরিচের দাম কেজিতে ২০০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে পাইকারি বাজারে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা কেজি। যা খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা কেজি। অথচ মাত্র একসপ্তাহ আগে পাইকারি বাজারে এই কাঁচামরিচ বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি।
সরেজমিনে রবিবার সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর বড় বাজারে গিয়ে দেখা গেছে পাইকারি বাজরে ভারতীয় আমদানি করা কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা কেজি। খুচরা বাজারে এই মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা কেজি। মাত্র এক সপ্তাহ আগে সাতক্ষীরার বাজারে এই মরিচ বিক্রি হয়েছে পাইকারিতে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি। পূজার কারণে ভারতীয় কাঁচামরিচ আমদানি বন্ধ থাকায় বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে বলে জানান পাইকারি বিক্রেতারা।
ওই বড়বাজারে পাইকারি কাঁচামরিচ বিক্রেতা (আড়তদার) তুহিন আব্দুল্লাহ জানান, “আমরা আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের এজেন্টদের কাছ থেকে কাঁচামরিচ কিনে এনে আড়তে বিক্রি করি। পূজার কারণে ভোমরা পোর্ট বন্ধ থাকায় ভারত থেকে কাঁচামরিচ না আসার কারণে বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। ফলে আমাদেরও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। অনেক আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বন্ধের সুযোগ নিয়েছেন। বন্ধের সময় অল্প অল্প করে মরিচ বাজারে ছেড়েছেন। যে কারণে দামও বড়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “এমনিতে এবছর কাঁচামরিচের ব্যবসায় লোকসান হচ্ছে। শুধুমাত্র আড়তদারি টিকিয়ে রাখতে ব্যবসা চালু রেখেছি। অন্য সময় আমার ঘরে মরিচের বস্তার জন্য পা দেওয়ার জায়গা থাকে না। আর এখন এই অল্প কিছু মরিচ নিয়ে বসে আছি। তবে গতকাল শনিবার থেকে পোর্ট খুলেছে। আশা করছি আগামী সোম-মঙ্গলবার থেকে মরিচের দাম স্বাভাবিক হয়ে আসবে।”
সুলতানপুর বড় বাজারে কাঁচামরিচ কিনতে আসা শহরের মুনজিতপুর এলাকার প্রবীর কুমার ঢালী জানান, গত সপ্তাহে যে মরিচ দেড়শ’ টাকা কেজি কিনেছি, এখন তা কিনতে হচ্ছে চারশ’ টাকায়। একশ গ্রাম কাাঁচামরিচ কিনলাম চল্লিশ টাকা দিয়ে। বাজারে কোন জিনিসের দামের উপর নিয়ন্ত্রণ নেই। বিক্রেতা ইচ্ছামত দাম বাড়িয়ে ক্রেতাদের সাথে প্রতারণা করছে। তিনি দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানান।
বড়বাজারের খুচরা বিক্রেতা আমির আলী জানান, “আড়তদারি দিয়ে তিনশ’ টাকার উপরে কাঁচামরিচের কেজি কিনতে হচ্ছে। তারপর অনেক সময় পঁচা বের হয়। অনেক মরিচ নষ্ট হয়ে যায়। যে কারণে কেজি বিক্রি করছি সাড়ে তিনশ’, আর একশ’ গ্রাম দুইশ’ গ্রাম নিলে চারশ’ টাকা কেজি।”

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।