1. mesharulislammonir1122@gmail.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন
  2. info@www.sangjogprotidin.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন :
সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:১৫ অপরাহ্ন

থানার পাশেই থাকতেন ছদ্মবেশে, ৭ মাসে করেছেন ৬ খুন

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট : সাভার মডেল থানার ঢিল ছোড়া দূরত্বে সাভার প্রেসক্লাবের পাশেই পরিত্যক্ত পৌর কমিউনিটি সেন্টার। সেখানে গত সাত মাসে একে একে ছয়টি লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) জোড়া লাশ উদ্ধারের পর বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। খুনি কোনো পেশাদার অপরাধী নয়; বরং থানার সামনেই ঘোরাঘুরি করা পরিচিত এক ভবঘুরে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় সাত মাস আগে সাভার মডেল মসজিদের সামনে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর গত বছরের ২৯ আগস্ট সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টার থেকে একটি অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহ উদ্ধার হয়। পরে একই স্থান থেকে গত ১৯ ডিসেম্বর আরও একটি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সর্বশেষ গত ১৮ জানুয়ারি রোববার সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পরিত্যক্ত ভবন থেকে আগুনে পোড়া অবস্থায় দুটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
যেভাবে ধরা পড়ল ‘সাইকো’ সম্রাট
গত রোববার দুপুরে কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলা থেকে আগুনে পোড়া দুটি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনার পর তদন্তকারীরা আগের খুনের সময় বসানো সিসিটিভি ফুটেজ এবং এক সাংবাদিকের ধারণ করা একটি ভিডিও বিশ্লেষণ করেন। দেখা যায়, মরদেহ কাঁধে নিয়ে যাচ্ছে এক ব্যক্তি, যাকে সবাই ছদ্মবেশী ভবঘুরে হিসেবে চিনত। পরে অভিযান চালিয়ে মশিউর রহমান খান সম্রাটকে আটক করে পুলিশ।
সাংবাদিকের ভিডিওই বড় প্রমাণ
গত শুক্রবার ওই পরিত্যক্ত ভবনে এক নারী ও সম্রাটের ভিডিও ধারণ করেছিলেন সোহেল রানা নামের সাংবাদিক। ভিডিওতে ওই নারী নিজেকে সোনিয়া বলে পরিচয় দেন। এর দুদিন পরেই সেই নারীর পোড়া মরদেহ উদ্ধার হয়। সিসিটিভি ফুটেজে সম্রাটের গতিবিধি ও ভিডিওর কথোপকথন পর্যালোচনা করে পুলিশ নিশ্চিত হয় যে, সম্রাটই আসল খুনি।
ভয়াবহ সিরিয়াল কিলার
সাভার মডেল থানার ওসি আরমান আলী বলেন, সম্রাট একজন মানসিক বিকৃত বা ‘সাইকোপ্যাথিক’ কিলার। তার নিশানায় থাকত কেবল ভবঘুরেরা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করেছে—গত সাত মাসে একই স্থানে ছয়টি হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। প্রতিটি খুনের ধরন ছিল অভিন্ন ও নৃশংস। পুলিশ ও বিভিন্ন সংস্থার ক্রাইমসিন ইউনিটের চোখে ধুলো দিয়ে সে সাভার ব্যাংক কলোনি বা লালটেক এলাকায় ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াত।
আতঙ্কে এলাকাবাসী
থানা থেকে মাত্র ১০০ গজ দূরে এবং সেনাক্যাম্প ও সরকারি কলেজের পাশে এমন নৃশংস সিরিয়াল কিলিংয়ের ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা স্তম্ভিত হয়ে বলছেন, ‘যাকে প্রতিদিন চুপচাপ বসে থাকতে বা বিড়বিড় করতে দেখতাম, সেই লোকটা যে জলজ্যান্ত খুনি—এটা ভাবতেই গা শিউরে উঠছে।’
পুলিশ সুপারের বক্তব্য
ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, ‘নিহতদের সবাই ভবঘুরে শ্রেণির। কেন এমন নৃশংসতা চালাত, সেই মোটিভ উদ্ঘাটন করা জরুরি। ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণের জন্য সোমবার তাকে আদালতে তোলা হবে।’

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট