
ডেস্ক রিপোর্ট : ঝিনাইদহে নির্বাচন পরবর্তী পৃথক তিনটি সহিংসতায় কমপক্ষে ১৩ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়েছে। শুক্রবার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত ঝিনাইদহ সদর ও কালীগঞ্জে এসব হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
সংশ্লিষ্টরা জানায়, শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে কালীগঞ্জ শহরের নীমতলা বাসস্ট্যান্ডের বাজার রোডে অবস্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা করে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়।
এসময় খোকন, ইভন ও জবেদ আলী নামে তিন বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে জখম করে। আহত জবেদ আলীকে যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জবেদ আলী কালীগঞ্জ পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক।
একই সময় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের ভিটেশ্বর গ্রামের কাপপিরিচ সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে ধানের শীষের সমর্থকদের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় আকরাম হোসেন, ফজলুর রহমান, ফারুক হোসেন, নজরুল ইসলাম ও জাফর উদ্দীন নামে পাঁচজন জখম হয়েছেন। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। জখম সবাইকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অপরদিকে, একই ইউনিয়নের খড়াশুনি গ্রামে কাপপিরিচের সমর্থক কাওসার বিশ্বাসের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে ধানের শীষের সমর্থকদের বিরুদ্ধে।
এর আগে সকালে কালীগঞ্জ উপজেলার কোলা বাজারের খালকুলা গ্রামে ধানের শীষ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ধানের শীষের সমর্থক রবিউল শেখ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক কাপপিরিচ প্রতীকের মোশারেফ শেখ ও ইব্রাহিম শেখ আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে ঝিনাইদহের মহেশপুরে দুর্বৃত্তরা প্রেসক্লাব মহেশপুর কার্যালয় ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এদিন রাত ৯টার দিকে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের পাশেই অবস্থিত প্রেসক্লাব মহেশপুর কার্যালয়ে এ হামলা চালানো হয়।
এসব ঘটনায় কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।