1. mesharulislammonir1122@gmail.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন
  2. info@www.sangjogprotidin.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন :
শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:১৯ অপরাহ্ন

দশমিনায় ফুলে ফুলে রঙিন বসন্তের পলাশ ও শিমুল গাছ

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

দশমিনা(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে দেশি প্রজাতির পলাশ ও শিমুল গাছে ফুলে ফুলে রঙিন হয়ে উঠেছে। দেশি প্রজাতির এই গাছের শাখা-প্রশাখায় রক্তিম ফুলে ভরে গেছে। গাছে গাছে পাখির কলকাকলি আর কিচির মিচির শব্দে প্রকৃতিতে নব জীবন ফিরে আসতে শুরু করেছে। ফুলে ফুলে রঙিন করা পলাশ,শিমুল গাছে বসন্তের পাখিরা আনাগোনা করছে। বসন্তের আগমনী বার্তা দেয়া এই পলাশ ও শিমুল গাছের দিকে তাকালে মন জুড়িয়ে যায়। পলাশ ও শিমুল গাছের ফুল প্রকৃতিকে রাঙিয়ে তুলছে। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে এখন গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে পলাশ ও শিমুলের ফুল। বসন্তের ছোঁয়ায় প্রকৃতি যেন নিজ রূপে সেজেছে। নানা প্রজাতির পাখি আর মৌমাছির আনাগোনা চোখে পড়ছে।
উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের গ্রামীন জনপদের পথে প্রান্তরে শিমুল ও পলাশ গাছের দেখা পাওয়া যায়। এছাড়া উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বসতঘরের আশেপাশেও এই গাছ চোখে পড়ে। গাছে গাছে রঙিন পলাশ ফুল চারিদিক মুখরিত করে সৌরভ ছড়ায়। বসন্তকালে শিমুল ও পলাশ ফুলের অপরূপ সৌন্দর্য শোভা বৃদ্ধি করে। প্রাকৃতিক ভাবেই প্রকৃতিতে এই গাছগুলো জন্মে থাকে। রোপন কিংবা গাছের কোন পরিচর্যা করতে হয় না। প্রকৃতির নিয়মেই আপনা আপনি বেড়ে উঠে। বসন্তকালে গাছের শাখায় শাখায় ফুলে ফুলে ছেয়ে যায়। ফুল ফুটলে রঙিন হয়ে উঠে। ফুলের সৌরভে আকৃষ্ট হয়ে কোকিলসহ অন্যান্য পাখি গাছের চারপাশে উড়তে থাকে। ফুলের রঙিন উচ্ছ্বাসে প্রকৃতিতে আনন্দঘন ও মনোমুগ্ধকর পরিবেশ যেন চোখ জুড়িয়ে যায়। গাছের নিচে মাটির উপর পড়ে থাকা ফুলগুলো যেন প্রকৃতি প্রেমীদের জন্য বিছানা বিছিয়ে দেয়। এমন দৃশ্য দেখে অনেক পথিকই থমকে দাড়িয়ে যায়। গ্রাম বাংলার পলাশ ও শিমুল গাছ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এনে দিতো। শিমুল গাছের তুলা বেশ জনপ্রিয়। এই তুলা দিয়ে লেপ,তোষক ও বালিশ তৈরি করা হতো। শিমুল তুলা বিক্রি করে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছে। তবে এখনও শিমুল তুলার কদর রয়েছে।
উপজেলার গ্রামাঞ্চলের সড়কের আশেপাশে শিমুল ও পলাশ গাছ অযত্ন ও অবহেলায় দেখতে পাওয়া যায়। স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী ও দশমিনা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি আহাম্মদ ইব্রাহিম অরবিল বলেন, শিমুল গাছ কদাচিৎ পাওয়া গেলেও পলাশ গাছ তেমন চোখে পড়ছে না। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই এই গাছ এবং ফুলের রঙিন আভা দেখতে পায়নি। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য ধরে রাখতে এবং পরিবেশ রক্ষায় এই গাছ এখনও সকলের কাছে প্রিয় হয়ে আছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট