1. mesharulislammonir1122@gmail.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন
  2. info@www.sangjogprotidin.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন :
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশ অনলাইন প্রেসক্লাব-এর পক্ষ থেকে খুলনা জেলা প্রশাসকের সঙ্গে মতবিনিময় সাধারণ মানুষের দোর গোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে আমার দরজা সবসময় খোলা: এমপি আবুল কালাম মহান স্বাধীনতা দিবস যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হবে: ইউএনও উজিরপুর মহেশপুরে শরীরে এইচআইভি ভাইরাস নিয়ে জীবন যুদ্ধ দম্পতির বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম গাংনীতে দুস্থদের বরাদ্দের চাল দাবি করায় জামায়াত নেতার উপর হামলা মোরেলগঞ্জে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ টিমের অভিযান, জরিমানা ঝিনাইদহে জাল নিবন্ধন সনদে ২২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ অনুমোদন ছাড়াই মিষ্টি উৎপাদন সুইট হোটেলকে জরিমানা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা বাড়ছে

মহেশপুরে শরীরে এইচআইভি ভাইরাস নিয়ে জীবন যুদ্ধ দম্পতির

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতা : গত এক যুগ ধরে মরণঘাতী এইচআইভি ভাইরাস শরীরে নিয়ে একে অপরের হাত ধরে জীবন যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন ঝিনাইদহের মহেশপুরের এক দম্পতি। সামাজিক অবজ্ঞা আর শারীরিক প্রতিকূলতাকে জয় করে নিয়মিত চিকিৎসা ও অদম্য আত্মবিশ্বাসের জোরে সুমন (৪৫) ও রত্না (৩৮) (ছদ্মনাম) এখন অনেকটাই স্বাভাবিক জীবন যাপন করছেন। দেড় দশক আগের এক দুর্ঘটনার কথা স্বৃতির পাতা থেকে হাতড়ে বেড়ান সুমন। তেঁতুল গাছ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হওয়ার পর জরুরি ভিত্তিতে তাঁর শরীরে রক্ত দিতে হয়েছিল। সুমন বলেন, তখন পরীক্ষা ছাড়াই রক্ত দেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসকদের ধারণা, সেখান থেকেই সংক্রমনটা শরীরে ঢুকে পড়ে। বিয়ের পর প্রায়ই অসুস্থ থাকতেন সুমন। পরে ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা করালে তাঁর শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়। এর কিছুদিন পর স্ত্রী রত্নার পরীক্ষার ফলও পজিটিভ আসে। খবরটি তাঁদের সাজানো সংসারে বজ্রপাতের মতো আছড়ে পড়ে। সেই দুর্বিষহ দিনগুলোর কথা মনে করে রত্না বলেন, প্রথমে মনে হয়েছিল সব শেষ। আত্মীয়-স্বজন অনেকে দূরে সরে গিয়েছিল, কেউ কেউ অপমানও করেছে। কিন্তু আমরা হাল ছাড়িনি। বর্তমানে এই দম্পতি নিয়মিত অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল (এআরভি) ওষুধ সেবন করছেন। চিকিৎসকের নিয়মিত তত্ত্বাবধান আর সঠিক জীবনযাত্রার ফলে তাঁরা এখন স্বাভাবিকভাবে নিজেদের কাজকর্ম চালিয়ে যেতে পারছেন। সুমন বলেন, নিয়ম মেনে চললে এইচআইভি নিয়েও যে সুস্থভাবে বাঁচা যায়, আমরা তার প্রমাণ। স্বাস্থ্যকর্মীরা বলছেন, এইচআইভি নিয়ে সামাজিক কুসংস্কার এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ১২ বছরের এই দীর্ঘ পথচলায় সুমন-রত্না দম্পতির গল্পটি কেবল একটি সতর্কবার্তাই নয়, বরং সঠিক চিকিৎসা ও সামাজিক সহমর্মিতার মাধ্যমে বেঁচে থাকার এক অনন্য প্রেরণা। এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ হেলেনা আক্তার নিপা বলেন, এইচআইভি কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়। অনিরাপদ যৌন মিলন বা পরীক্ষাবিহীন রক্ত গ্রহণের মাধ্যমে এটি ছড়ায়। সরকারি ব্যবস্থাপনায় আক্রান্তদের জন্য বিনামূল্যে ওষুধ ও পরামর্শ দেওয়া হয়। নিয়মিত ওষুধ সেবন করলে আক্রান্ত ব্যক্তি দীর্ঘকাল সুস্থ থাকতে পারেন এবং অন্যদের সংক্রমণের ঝুঁকিও কমে যায়।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট