
বিজ্ঞপ্তি : খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। গৃহীত পরিকল্পনা নগরবাসীর সামনে উপস্থাপনের মাধ্যমে এ বিষয়ে তাদের মতামতও গ্রহণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে গৃহীত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। কেসিসি প্রশাসক বৃহস্পতিবার দুপুরে নগর ভবনের শহীদ আলতাফ মিলনায়নে কেসিসি’র ৩১টি ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কঞ্জারভেন্সী বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। খুলনা মহানগরীর পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা, জলাবদ্ধতা নিরসনসহ নাগরিক সেবা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কঞ্জারভেন্সী বিভাগ এ সভার আয়োজন করে। সভায় তিনি মাঠ পার্যায়ে কর্মরত সুপারভাইজারদের কাছ থেকে পরিচ্ছন্ন কাজে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাসমূহ শোনেন এবং স্বল্প মেয়াদী ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে তা বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। সভায় পরিবহনের সময় বর্জ্য যেন সড়কে না পড়ে সেদিকে লক্ষ্য রাখা, দীর্ঘ সময় সড়কে কোন প্রতিবন্ধকতা থাকলে কার্য্যসহকারী কর্তৃক তা কঞ্জারভেন্সী সংশ্লিষ্টদের জানানো, নির্মাণ সামগ্রী দ্রুত অপসারণে ঠিকাদারকে বাধ্য করা, বাড়ির মালিকদের নির্মাণ সামগ্রী পরিবহনের সময় বেধে দেয়া এবং এ সকল কার্যক্রম ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তাদরিক করার নির্দেশনা দেয়া হয়। কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সচিব আরিফুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট কোহিনুর জাহান, চীফ প্লানিং অফিসার আবির উল জব্বার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলাম, কঞ্জারভেন্সী অফিসার প্রকৌশলী মো: আনিসুর রহমান ও মো: ওয়াহিদুজ্জামান খান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশীদসহ ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কঞ্জারভেন্সী সুপারভাইজারগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন। সকালে প্রশাসক নগরীর শেরে বাংলা রোডস্থ নগর স্বাস্থ্য ভবন এবং কাস্টম ঘাটস্থ আমিরা বানু বেগম নগর মাতৃসদনের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম সরেজমিন পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের নির্দেশ দেন।