
চিতলমারী (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: বাগেরহাটের চিতলমারীতে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমকে সামনে রেখে দিবস দু’টি পালন করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বুধবার (১১ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাজ্জাদ হোসেন। সভায় বক্তারা বলেন, স্বাধীনতা দিবস শুধু একটি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নয়—এটি জাতির আত্মত্যাগ, সংগ্রাম এবং মানবিক মর্যাদার ইতিহাসকে স্মরণ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশপ্রেম পৌঁছে দিতে দিবসটি যথাযথভাবে উদযাপন করা জরুরি।
সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসে শহীদদের স্মরণে বিশেষ আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন ২৬ মার্চ সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হবে।
সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাদ্দাম হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আহসান হাবিব ঠান্ডু, উপজেলা জামায়াতে ইসলামের আমির মাওলানা গাজী মনিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান নান্না, চিতলমারী বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি মো. সোয়ায়েব হোসেন গাজী, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি কামরুজ্জামান পিকলু, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুতালেব শেখ, চিতলমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি ও পাক্ষিক চিতলমারীর অন্তরালে পত্রিকার সম্পাদক-প্রকাশক মো. একরামুল হক মুন্সী এবং চিতলমারী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক প্রিন্স মন্ডল অলিফ।
এ সময় সাংবাদিকসহ উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের বিভাগীয় প্রধান ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বক্তারা সম্মিলিতভাবে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের আত্মত্যাগের স্মৃতিকে ধারণ করে মানবিকতা, ঐক্য এবং দায়িত্ববোধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের আহ্বান জানান।