1. mesharulislammonir1122@gmail.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন
  2. info@www.sangjogprotidin.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন :
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন

কোরবানিতে পশুর সংকট হবে না, উদ্বৃত্ত থাকবে ২২ লাখ: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট : পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশে কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্যমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।
আজ রোববার (৩ মে) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী এ বছর চাহিদার তুলনায় দেশে ২২ লাখ ২৭ হাজার ৫০৬টি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে বলে আশা করি।
মন্ত্রী জানান, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী এ বছর সারাদেশে কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর মোট প্রাপ্যতা ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। অন্যদিকে, বিভাগীয় পর্যায়ের তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এ বছর পশুর সম্ভাব্য চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি।
কোরবানিযোগ্য পশুর পরিসংখ্যানে জানানো হয় গরু ও মহিষ ৫৬ লাখ ৯৫ হাজার ৮৭৮টি। ছাগল ও ভেড়া ৬৬ লাখ ৩২ হাজার ৩০৭টি। উট ও দুম্বাসহ অন্যান্য পশু ৫ হাজার ৬৫৫টি রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, আমাদের দেশীয় খামারিরা এখন অত্যন্ত সক্ষম। বর্তমান সরকারের ধারাবাহিক নীতি সহায়তা, খামারিদের প্রণোদনা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে বাংলাদেশ আজ পশু উৎপাদনে আত্মনির্ভরশীল। তাই এ বছর কোরবানির পশু আমদানির কোনো প্রশ্নই ওঠে না।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, গত বছরও দেশে পশুর বড় একটি অংশ উদ্বৃত্ত ছিল। গত পবিত্র ঈদুল আজহায় ৯১ লাখ ৩৬ হাজার ৭৩৪টি পশু জবাই হয়েছিল, যার ফলে প্রায় ৩৩ লাখ ১০ হাজার গবাদিপশু অবিক্রিত থেকে গিয়েছিল।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কোরবানির পশুর অবাধ চলাচল ও পরিবহন নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে রাজধানীসহ বিভিন্ন বড় শহরে পশু পরিবহনে কোনো ধরনের বাধা যাতে না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, খামারিদের স্বার্থ রক্ষা এবং ক্রেতাদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে পশু সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার সার্বিকভাবে কাজ করছে।
সরকারের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়, দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনেই কোরবানির চাহিদা পূরণ সম্ভব হচ্ছে। ফলে বিদেশ থেকে পশু আমদানির প্রয়োজনীয়তা নেই। এতে একদিকে যেমন দেশীয় খামারিরা লাভবান হচ্ছেন, অন্যদিকে বৈদেশিক মুদ্রাও সাশ্রয় হচ্ছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।