
ডেস্ক রিপোর্ট : নির্বাচনের পর প্রথমবারের মতো চাঁদপুর যাওয়ার পথে কুমিল্লার বরুড়ায় লাখো মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দীর্ঘ ২৫ বছর পর প্রিয় নেতাকে কাছে পেয়ে দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও রাস্তার দুই পাশে ভিড় করেন সাধারণ মানুষ।
শনিবার (১৬ মে) দুপুরে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে আয়োজিত এক পথসভায় বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা তাদের দীর্ঘদিনের তিনটি প্রধান দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন, যার মধ্যে অন্যতম ছিল কুমিল্লাকে বিভাগ ঘোষণা এবং একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা।
জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগণের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘কুমিল্লাকে বিভাগ ঘোষণা করা যদি জনগণের দাবি হয়ে থাকে, তবে তা বাস্তবায়ন করা হবে।’ একই সঙ্গে তিনি সেখানে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়েও ইতিবাচক আশ্বাস দেন।
বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের নানা উন্নয়ন ও কল্যাণমুখী পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এরইমধ্যে খাল খনন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ এবং ইমাম-পুরোহিতদের সম্মানী দেয়া শুরু হয়েছে। বিএনপি যে ওয়াদা দেয়, সরকারে এলে সেই ওয়াদা পূরণ করে।’
উপস্থিত জনতার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা এখানে যারা আছেন আপনাদের কাছে অনুরোধ আপনারা বিএনপির হাতকে শক্তিশালী করুন। ইনশাল্লাহ, বিএনপি দেশের যেসব কাজ রয়েছে সবগুলো কাজ পর্যায়ক্রমে করবে। আমরা আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ, ইনশাআল্লাহ গড়ে তুলব।
এখন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গঠন করার সময় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবাই যাতে স্বাবলম্বী হতে পারে, সে জন্য প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গা থেকে তা নিশ্চিত করতে হবে। জনগণই দেশের মালিক; মালিক যখন দায়িত্ব নেয়, তখনই দেশ এগিয়ে যায়।’
বিগত সরকারের সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, ‘স্বৈরাচার যেমন দেশের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন করেছে, তেমনি অর্থ লোপাটও করেছে। যার কারণে দেশের অর্থনীতি এখন কিছুটা চাপের মুখে রয়েছে।’ এই অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে তিনি দেশবাসীকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান।