1. mesharulislammonir1122@gmail.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন
  2. info@www.sangjogprotidin.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন :
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাঘ ও প্রাণীর নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য সুন্দরবনে পুকুরসহ তৈরী করা হয়েছে সাতটি টাইগারটিলা আলফাডাঙ্গায় দোয়া মাহফিল ও শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ রূপসায় আলমগীর কবির স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ ক্যান্সারে আক্রান্ত খুবি শিক্ষার্থী মুজাহিদ বাঁচতে চায় কালিগঞ্জের চৌমুহনী ডিগ্রি মাদ্রাসার সাফল্য উজিরপুর উপজেলা শ্রমিক দলের দোয়া ও মিলাদ মাহফিল নড়াইল–১ ও নড়াইল–২ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ঘোষণা তালায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান হলেন সুপার আব্দুর রাজ্জাক মোল্লাহাটে সংসদ নির্বাচন ২০২৬ ও গণভোট উপলক্ষে ভোটের গাড়ির প্রচারণা দিঘলিয়ায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ থানা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

দাকোপে সরকারি জায়গায় গড়ে উঠছে অবৈধ স্থাপনা

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে

দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি : খুলনার দাকোপে বিভিন্ন এলাকায় যত্রতত্র সরকারি জায়গায় গড়ে উঠছে দ্বিতল ভবনের বসত বাড়ি দোকান ঘরসহ পাকা স্থাপনা। প্রশাসনের নাকের ডগায় দীর্ঘ দিন যাবৎ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ও পেরিফেরি জায়গা দখল করে প্রতিনিয়ত এসব অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠলেও প্রশাসন রয়েছেন নীরব। পাশাপাশি ফুটপাতও দখলের হিড়িক পড়েছে। এতে সরকার একদিকে হাজার হাজার টাকা রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে। অন্যদিকে সরকারী এসব সম্পত্তির পজেশন বিক্রি করে অবৈধ দখলদাররা হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।
সরেজমিনে ঘুরে এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, পৃথক তিনটি দ্বীপের সমন্বয় গঠিত বঙ্গোপসাগর ও সুন্দরবন উপকূল ঘেঁষা এই উপজেলা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩১, ৩২ ও ৩৩ পৃথক এই তিনটি পোল্ডারেও বিভক্ত। এসব পোল্ডারে উপজেলা সদর চালনা বাজার, কালিনগর বাজার, বাজুয়া বাজারসহ বেশ কয়েকটি ঐতিয্যবাহী বাজার রয়েছে। এছাড়া আরো প্রায় অর্ধ শতাধিক স্থানে রয়েছে ছোট ছোট বাজার। কয়েকটি বাজারে সরকারি পেরিফেরি ভূক্ত সম্পত্তিও রয়েছে। এসব বাজার এলাকায় ওয়াপদা বেড়িবাঁধের দুই পাশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ও পেরিফেরি ভূক্ত জায়গা দখল করে অবৈধ দখলদাররা প্রতিনিয়ত গড়ে তুলছে দ্বিতল ভবনের বসত বাড়ি, দোকান ঘরসহ বিভিন্ন পাকা স্থাপনা। পাশাপাশি ওয়াপদা রাস্তার ফুটপাতও দখল করে তৈরী করা হচ্ছে এসব স্থাপনার বারান্দা। অবৈধ এ দখল প্রতিযোগিতায় কতিপয় জনপ্রতিনিধি ও আ‘লীগের নেতা কর্মিরাও জড়িত। ফলে জনসাধারনের চলাচলের পথও দিন দিন সরু হয়ে আসছে। মাঝে মধ্যে আবার এসব সরকারী সম্পত্তির পজেশন বিক্রি করে অবৈধ এ দখলদাররা হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অংকের টাকা। বিগত তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে এসব অধিকাংশ সম্পত্তি যৌথ বাহিনীর উদ্যোগে অবৈধ দখল মুক্ত হলেও পূনরায় আবার ওই দখলদারদের দখলে চলে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সরকারী সম্পত্তি এভাবে দখলের প্রতিযোগীতা চলে আসলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো নীরব ভুমিকায় রয়েছে বলে এলাকার সচেতন মহলের অভিযোগ। সরকার একসনা লিজ দিলে প্রতি বছর কয়েক লাখ টাকা রাজস্ব বঞ্চিত না হয়ে বরং আয় হতো বলে ওই মহলটি মনে করেন। একই ভাবে সরকারী পেরিফেরি ও বিভিন্ন খালগুলো দখল করে অনুরুপ স্থাপনা তৈরি করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ইতি মধ্যে বাজুয়া ও লাউডোব বাজার এলাকায় অবৈধ দখলদাররা বেশ কয়েকটি পজেশন বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। আর সদ্য গজিয়ে ওঠা কতিপয় নেতা আর্থিক চুক্তিতে বিভিন্ন দোহাই দিয়ে অবৈধ স্থাপনা নির্মানে ও পজেশন বিক্রিতে দখলদারদের সহযোগিতা করছে বলে ব্যাপক গুণজন রয়েছে।
জয়নগর এলাকার হাফিজুর রহমান হাফিজ জানান, অনেক আগে থেকে ওয়াপদা বেড়িবাঁধের পাশে পানি উন্নয়নন বোর্ডের সরকারি সম্পত্তি অবৈধ দখলে ছিলো। কিন্তু কয়েক বছর আগে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিনে উপজেলার ৩২ ও ৩৩ নম্বর পোল্ডারে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্প ফেজ-১ (সিইআইপি-১) আওতায় ওয়াপদা বেড়িবাঁধ নির্মান হয়েছে। এ সময়ে ওয়াপদার পাশে যতো দোকানসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা অবৈধ দখলদার ছিলো তাদের প্রত্যেকে আর কখনো ওই জায়গা দখল করবে না মর্মে ষ্ট্যাম্পে অঙ্গিকার নামা দিয়ে জেলা প্রশাসকের জমি অধিগ্রহন শাখা থেকে ক্ষতিপূরন বাবদ মোটা অংকের টাকা উত্তোলন করে সকল স্থাপনা সরিয়ে নেয়। কিন্তু কয়েক মাস যেতে না যেতেই সরকারি নির্দেশ উপেক্ষা করে কালিনগর ও লাউডোব বাজারসহ ৩২ ও ৩৩ পোল্ডারের বিভিন্ন এলাকায় পূনরায় আবার ওয়াপদা বেড়িবাঁধের শ্লোবে জোর পূর্বক পজেশন দখল করে দোকান ঘরসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মান করছে ওই দখলদাররা। ৩১ নম্বর পোল্ডারেও একই অবস্থা বিরাজমান। এছাড়া চালনা, বাজুয়া ও কালিনগর বাজারে সরকারি পেরিফেরি ভূক্ত সম্পত্তিতেও একই অবস্থা। তিনি অভিযোগ করে বলেন স্থাপনা নির্মানের সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে শুধুমাত্র নোটিশ দিয়েই দায় এড়িয়ে যান সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তারা। দখলদাররা সেই নোটিশ অমান্য করে নির্মান কাজ চালিয়ে গেলেও তাদের বিরুদ্ধে আইনি কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। মাঝে মধ্যে আবার এই পজেশন বিক্রি করে দখলদাররা হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা। সরকার যদি একসনা লিজ দিতো তাহলে বছরে কয়েক লক্ষ টাকা রাজস্ব আয় হতো এবং তা দিয়ে উন্নয়ন মূলক কাজ করা যেতো বলে তিনি মনে করেন।
লাউডোব ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিহার রায় বলেন, আমি লাউডোব বাজারের পাশে যে জায়গায় ঘর করেছি সেখানে আমার নিজের জায়গাও আছে। আবার কিছু পানি উন্নয়ন বোর্ডেরও। পানি উন্নয়ন বোর্ড যখন জায়গা চাইবে তখন আমার ঘর ভেঙে ফেলবো।
এবিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের খুলনা পওর বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জহির মাজহার জানান, আমি নতুন আসছি। সরেজমিনে পরিদর্শন করে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ সেবগাতুল্যাহ কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমিও জেনেছি যে আগে থেকেই সরকারি জায়গা দখল করে পাকা ভবন করেছে অনেকে। নতুন করে যারা করছে আমি জানার সঙে সঙে ব্যবস্থা নিচ্ছি। আর পুরাতন দখলদারদের আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে দখল মুক্ত করা হবে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড এখনো পর্যন্ত লিখিতভাবে কোন কিছু আমাকে জানায়নি।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট