1. mesharulislammonir1122@gmail.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন
  2. info@www.sangjogprotidin.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন :
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দিঘলিয়ায় হযরত মুহাম্মদ (সা:) কে কটূক্তির অভিযোগে যুবককে গণপিটুনি মোরেলগঞ্জে ১০ম শ্রেনীর শিক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগ পাইকগাছায় যুবকের আত্মহত্যা শ্যামনগরে স্বামীর গোপন অঙ্গ কাটার পর হাসপাতালে নিয়ে গেলেন স্ত্রী ফকিরহাটে ব্যাবসায়ীকে ছুরিকাঘাত করে টাকা ছিনতাইকালে আটক ২ মোংলায় সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রী নিহতের প্রতিবাদে মানববন্ধন কালিয়ায় ছাত্রশিবিরের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য হেল্পডেস্ক জ্বালানির দামের সঙ্গে পণ্যের দামের সমš^য় করা হবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ক্যানসার হাসপাতালের উপ-পরিচালককে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় গ্রেফতার ৫ সরকার ভুল পথে গেলে সোচ্চার হবেন নারী এমপিরাও: হামিদুর রহমান আযাদ

আমন ধানের বাম্পার ফলনে ডুমুরিয়ার কৃষকের মুখে হাসি

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৭৮ বার পড়া হয়েছে

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি : “কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ”—এই কথাটিই যেন আবার সত্য প্রমাণ করলেন খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার পরিশ্রমী কৃষকরা। চলতি মৌসুমে উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে আমন ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে লেগেছে হাসি।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সবুজে মোড়া মাঠের পর মাঠ যেখানে চোখ রাখি সেখানেই ধানগাছের ঢেউ। কৃষকের মুখে তৃপ্তির হাসি আর মনে আশার আলো। খর্নিয়া ইউনিয়নের কৃষক নুরুল ইসলাম জানান, “বর্ষা মৌসুমে ধান চাষে সেচ কম লাগে, তবে পোকামাকড়ের আক্রমণ কিছুটা বেশি হয়। কীটনাশক ও সারের দাম বেড়েছে, তবু ফলন ভালো হওয়ায় এবার ধান চাষে লাভবান হব বলে আশা করছি।”
শোভনা ইউনিয়নের কৃষক মো. আবুল কালাম বলেন, “আমি ব্রি ধান ৭৫ জাতের ধান লাগিয়েছি। বিঘা প্রতি ২০ থেকে ২২ মণ ধান পাব বলে আশা করছি।” রুদাঘরা ইউনিয়নের কৃষক কায়সার আলী জানান, “আমি এবার নতুন ব্রি ধান ১০৩ চাষ করেছি। সব ঠিক থাকলে বিঘাপ্রতি ২৮ থেকে ৩২ মণ পর্যন্ত ফলন হবে বলে আশা করছি। তবে সার ও শ্রমিকের দাম অনেক বেড়েছে। এখন ধান কাটতে একজন শ্রমিককে ৭০০-৮০০ টাকা দিতে হচ্ছে, তবুও শ্রমিক পাওয়া কঠিন।”
ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের কৃষক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “আমি ব্রি ধান ৪৯ জাতের ধান চাষ করেছি। ফলন খুব ভালো হয়েছে। এক বিঘা জমিতে ২৮-৩০ মণ ধান উৎপাদন হবে বলে ধারণা করছি।”
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইনসাদ ইবনে আমিন জানান,“চলতি মৌসুমে উপজেলায় 14 হাজার ৯৩৯ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে ব্রি ধান ৪৯, ৭৫, ৮৭, বিনা ধান ১৭ এবং নতুন ব্রি ধান ১০৩ সহ বিভিন্ন জাতের ধান আবাদ করা হয়েছে। কৃষকদের মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ফলন আশানুরূপ হওয়ায় কৃষকরা সন্তুষ্ট।”
খুলনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “এ বছর অনুকূল আবহাওয়া ও কীটপতঙ্গের তেমন কোনো আক্রমণ না থাকায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে চাষ হয়েছে এবং ফলনও বেড়েছে। বাম্পার ফলনে কৃষকরা অত্যন্ত খুশি। আবহাওয়া ও বাজারদর অনুকূলে থাকলে তারা প্রত্যাশিত লাভবান হবেন।”

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।