1. mesharulislammonir1122@gmail.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন
  2. info@www.sangjogprotidin.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন :
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মোরেলগঞ্জে কৃষক দল নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসি দিঘলিয়ায় বারাকপুর খেয়াঘাট দখলের চেষ্টা মোংলায় ইজিবাইকের ধাক্কায় স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু চিতলমারীর ‘হাম-রুবেলা’ টিকা ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল জাপান, সুনামি সতর্কতা নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন ছাত্রদল নেত্রী মানসুরা আক্তার জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধিতে পণ্যমূল্য খুব বেশি বাড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির নতুন মুখ ২৮, পুরাতন ৮ কাবা শরিফের গিলাফ উত্তোলন, শুরু হলো হজের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শ্যামনগরে ব্যতিক্রমধর্মী ম্যারাথন ‘রান ফর ওয়াটার অনুষ্ঠিত

ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা কমানোর চেষ্টা আটকে গেল মার্কিন সিনেটে

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ১৬২ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট : ইরান যুদ্ধকে ঘিরে আরো সামরিক অভিযান চালানোর ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করার একটি প্রস্তাব মার্কিন সিনেটে এগোয়নি। প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট পড়েছে ৪৭টি এবং বিপক্ষে পড়েছে ৫৩টি ভোট। ফলে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে আর বাধা থাকল না ট্রাম্পের। খবর বিবিসি ও আল জাজিরার।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান নিয়ে বিতর্ক চলছে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটের মধ্যে। রিপাবলিকানদের দাবি, অভিযান নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আছে প্রেসিডেন্টের। তাদের দাবি, এই মুহূর্তে অভিযান থামিয়ে দিলে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
যদিও ডেমোক্র্যাটদের দাবি, প্রেসিডেন্টের এককভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো ক্ষমতা ছিল না। পরিকল্পনা ছাড়াই তিনি যুদ্ধ চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে ডেমোক্র্যাটরা দাবি করেন, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের ফলে ঝুঁকির মুখে পড়ছে মার্কিন সেনাদের জীবন। এই কারণে যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব এনেছিলেন তারা।
তবে মার্কিন সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান অভিযানের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন। যুদ্ধ বন্ধ এবং ইরানের বিরুদ্ধে যে কোনো সামরিক পদক্ষেপ করার জন্য কংগ্রেসের অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা চেয়ে আনা ওই দ্বিপাক্ষিক প্রস্তাব আটকে দেওয়ার পক্ষে ভোট দেন তারা।
এর ফলে যুদ্ধ বন্ধ করা বা ট্রাম্পের ক্ষমতা হ্রাসের প্রস্তাব বাতিল হয়ে গেল। একইসঙ্গে, ইরানবিরোধী যেকোনো বিরোধিতাকেই যেন আইনসভা সায় দেয় সেই দাবি করা হয়েছে।
সিনেট সদস্যদের মধ্যে ট্রাম্পের পক্ষে রায় দেয় ৫৩ জন। বিরোধিতা করেছেন ৪৭ জন।
প্রস্তাবটি পাস হলে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ইরানসংক্রান্ত সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা মোতায়েন অব্যাহত রাখা যেত না।
এর আগেও একই ধরনের যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করার উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে। ফলে এই প্রস্তাব পাস হলেও যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বড় কোনো পরিবর্তন আসত কি না-তা নিয়ে সংশয় ছিল।
রিপাবলিকানদের একটি অংশ জানিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও বিস্তৃত হলে তারা ভবিষ্যতে অবস্থান পুনর্বিবেচনা করতে পারেন।
সিনেটে ভোটাভুটির এমন ফলাফল মোটেও বিস্ময়কর নয়। এর পেছনে দুটি প্রধান কারণ রয়েছে। প্রথমত, সিনেট বর্তমানে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণে এবং অধিকাংশ রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাই ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পক্ষে। ফলে শুরু থেকেই ধারণা করা হচ্ছিল, এই প্রস্তাব এগোবে না।
দ্বিতীয়ত, ক্যাপিটল হিলে এই উদ্যোগ নিয়ে ট্রাম্প বিশেষ উদ্বিগ্ন ছিলেন না। কারণ সিনেট ও হাউজ অব রিপ্রেজেন্টিটিভ উভয় কক্ষেই পাস হওয়া যেকোনো আইন কার্যকর হতে হলে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর প্রয়োজন। যেহেতু প্রতিনিধি পরিষদও রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণে, তাই এমন কোনো আইন পাস হওয়ার সম্ভাবনাই ছিল ক্ষীণ।
আর আইন পাস হলেও ট্রাম্প সেটিতে ভেটো দেবেন-এ বিষয়ে সংশয় ছিল না। কারণ এটি তারই শুরু করা যুদ্ধ এবং তিনি এর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। ট্রাম্পের ভেটো অগ্রাহ্য করতে হলে সিনেটে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন হতো, যা আদৌ সম্ভব ছিল না।
এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে রিপাবলিকান নেতৃত্বাধীন সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের নেতাদের কাছ থেকেই আগেভাগে জানতেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, এই উদ্যোগ সিনেটে পাস হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
তবে প্রতিনিধি পরিষদে এখনো এমন একটি প্রস্তাব রয়েছে, যার মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করার চেষ্টা করা হবে। কিন্তু সিনেটের ভোটের ফলাফলের পর সেটিও পাস হবে বলে মনে করা হচ্ছে না। এমনকি প্রস্তাবটি আদৌ ভোটে তোলা হবে কি না, সে বিষয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ফলে আপাতত ইরান ইস্যুতে সামরিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ক্ষমতা বহাল থাকছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।