1. mesharulislammonir1122@gmail.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন
  2. info@www.sangjogprotidin.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন :
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রূপসায় সরকারি পিচের রাস্তা খনন করে অবৈধ ভাবে ইমারত তৈরি অভিযোগ দিঘলিয়ায় নির্দিষ্ট সময় অফিস করছেন না পোস্ট অফিস কর্মকর্তা মোরেলগঞ্জে মে দিবসে শ্রমিক দলের র‌্যালী ও আলোচনা সভা পাইকগাছায় জমি বিক্রির নামে বায়না পত্রের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ কয়রায় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে খাস জমিতে ভবন নির্মাণ ফুলতলায় গৃহবধুর শ্লীলতাহানি প্রতিবেশি যুবক গ্রেফতার খালিশপুর রোটারী স্কুল হবে খুলনার শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ : হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল খালিশপুর ইমারত নির্মাণ ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের উদ্যোগে মে দিবস পালিত সুন্দরবনে হরিণ শিকারের ফাঁদ উদ্ধার মহান মে দিবস সফল করতে খালিশপুরে ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের র‍্যালি

কয়রায় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে খাস জমিতে ভবন নির্মাণ

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে
কয়রা প্রতিনিধি : খুলনার কয়রা উপজেলায় সরকারি খাস জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে দুই স্থানীয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ভূমি মন্ত্রাণনালয় ও জেলা পরিষদ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হলেও তা অমান্য করে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ার ঘটনা স্থানীয়ভাবে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের অন্তাবুনিয়া গ্রামে সড়ক ও জনপদ বিভাগের রাস্তার পাশের খাস জমিতে ভবন নির্মাণ করছেন শফিকুল ইসলাম ও আব্দুল জলিল নামে দুই ব্যক্তি। অভিযোগ রয়েছে, ভূমি অফিসের কিছু কর্মকর্তার সহযোগিতায় তারা এই নির্মাণকাজ চালাচ্ছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, খাস জমিতে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের কোনো বিধান না থাকলেও লিজ নেওয়া জমিতে গত এক মাস ধরে পাকা ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল বাকি কাজ বন্ধের নির্দেশ দিলেও তা উপেক্ষা করে নির্মাণ অব্যাহত রাখা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রায় ১২ জন শ্রমিক ভবনটির কাজ করছেন। ইতিমধ্যে বেজমেন্ট ও দেয়ালের কাজ শেষ হয়েছে এবং শিগগিরই ছাদ ঢালাই শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা মাহবুব চকিদার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকারি জমি দখল করে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। কাজ বন্ধ করতে ভূমি মন্ত্রাণনালয় ও খুলনা জেলা পরিষদ আদেশ দিলেও তা মান্য না করে ভবন নির্মাণের কাজ চালু রাখা হয়েছে।
অভিযুক্তদের একজন স্বীকার করেছেন যে, লিজ নেওয়া সরকারি জমিতে পাকা স্থাপনা নির্মাণ বেআইনি। তবে তিনি দাবি করেন, প্রশাসনকে “ম্যানেজ” করেই কাজ চালানো হচ্ছে।
মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্যাহ আল মাহমুদ বলেন, ভিপি খাস জমিতে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের সুযোগ নেই। তবে বিষয়টি নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা পড়েনি।
কয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল বাকী অভিযোগ পেয়ে ভবন তৈরির নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিলোও,অভিযুক্তরা ভবন নির্মাণ কাজ চালু রাখায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিযেছে। এ ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।
আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।