1. mesharulislammonir1122@gmail.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন
  2. info@www.sangjogprotidin.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০২:৩৭ অপরাহ্ন

বটিয়াঘাটার বারোআড়িয়ার দুটি খেয়াঘাট এখন মরণফাঁদ

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

গাজী তরিকুল ইসলাম, বটিয়াঘাটা : বটিয়াঘাটা উপজেলার রায়পুর বারোআড়িয়া ও ফুলবাড়ী বারোআড়িয়া জনগুরুত্বপূর্ণ  দুটি খেয়া ঘাট সাধারণ মানুষের পারাপার’র জন্য মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে । উক্ত খেলা ঘাট দিয়ে খুলনা জেলা শহরের সাথে কম সময়ে স্বল্প খরচে যাতায়াতের সুবিধার্থে উপজেলার সুরখালী ইউনিয়ন, পাশ্ববর্তী ডুমুরিয়া, পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলার সাধারণ মানুষ যাতায়াত করে আসছে ।বর্তমানে নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় উক্ত খেয়া ঘাট দুটি দিয়ে  হাঁটু পর্যন্ত কাপড় উচু করে মায়েদের পাশাপাশি চাকুরীজীবী, স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকমন্ডলী, হাটুরে এবং সাধারণ মানুষ ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে । উল্লেখ্য বিগত বছরে উক্ত খেয়াঘাট দুটির ইজরা গ্ৰহীতা ছিলেন গাওঘরা এলাকার মোকছেমুল , কল্যাণ শ্রী এলাকার মাসুদ ও বারোআড়িয়া এলাকার মোঃ খোকন । বিগত বছরের ইজারা গ্ৰহীতারা যাত্রীদের পারাপারের সুবিধার্থে পাকা ঘাট থেকে নদীর দুই তীরে পানি পর্যন্ত বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে যাত্রীদের পারাপার করেছেন আসছিল । বর্তমানে  ঘাটের পাটনি হিসেবে ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকায় ইজারা গ্ৰহন করেছেন বারোআড়িয়া এলাকার রতন কুমার দাশ এবং তিনি যাত্রীদের কাছ থেকে পারাপারে ৫ টাকা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে । কিন্তু বিগত বছরের ইজারা গ্ৰহিতারা তাদের নির্মিত বাঁশের সাঁকো খুলে নিয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের পারাপারের ঝুঁকি আরো মারাত্মক আকার ধারণ করেছে । অথচ পাশ্ববর্তী কৈয়া বাজার ও গাওঘরা ঘাটের সাঁকো ব্যক্তিগত উদ্যোগে নির্মান করলেও তাদের ইজারার মেয়াদ কাল শেষ হলেও তাদের নির্মিত বাঁশের সাঁকো খুলে নিয়ে যায়নি । এব্যাপারে ঘাটের ইজারা গ্ৰহীতা ঘাটে সাঁকো নির্মাণের জন্য উপজেলা প্রশাসনের নিকট মৌখিকভাবে আবেদন করেন নির্বাহী অফিসার থান্দার কামরুজ্জামান সরকারি বরাদ্দ না থাকায় ইজারাদারদের নির্মাণ করতে বলেন বলে জানিয়েছেন ।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।