
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার দ্বীপ ইউনিয়ন নামে পরিচিত গাবুরা ইউনিয়নে টেকসই মজবুত ভেড়ি বাধ নির্বাণ এর জন্য তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ১০৪০ কোটি টাকা ব্যয় একটি প্রকল্প হাতে নেয়। যার কাজ এখনো পর্যন্ত চলমান রয়েছে। কিন্তু এই কাজে তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী সালাহউদ্দিন আহমেদ বর্তমান উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ইমরান সর্দার ও তৎকালীন উপসহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদুর রহমান এর নেতৃত্বে বিভিন্ন খাতে অনিয়ম দুর্নীতি করে ৪০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। যাহা তদন্ত হলে সব তথ্য সত্যতা মিলবে। গাবুরা ইউনিয়নের আব্দুল হাকিম ৫০দিদারুল ইসলাম ৫৩ মিজানুর রহমান ৫৫আবিয়ার রহমান ৪৪আইয়ুব আলী ৪৫ আব্দুল মান্নান ৪৩ কওসার আলী ৪৫ মামুনা রশিদ ৩৬ আব্দুল আজিজ ৩৫ রেজাউল করিম ৫৩ মোকসেদ আলি ৩৫ আব্দুস সালাম ৩৫ মিকাইল হোসেন ৪৪ শামসুর রহমান ৪৭ আব্দুর রহমান ৩৫ রজব আলী ৪০ আব্দুস সাত্তার ৪২ রহমত আলী ৪৩ আমিনুর রহমান ৪৫ আবুল কালাম আজাদ ৪৭ শহিদুল ইসলাম ৩৫ সুন্নত আলী ৫৩ বাবর আলী ৩৫ আব্দুর রাজ্জাক ৫০ সানাউল্লাহ ৫৩আব্দুল আলিম ৪৪ শওকত আলী পঞ্চান্ন আমির আলী ৩৫ আব্দুল মমিন ৩৩খালেদুর রহমান ৩৫ মোকসেদ আলি ৫৭ আমজাদ হোসেন ৩৩ আলাউদ্দিন ৩৫ নাজমুল হোসেন ৩৩ ইয়াকুব আলী ৩৫ ওসমান গনি ৩৫ হযরতরহমান ৩৩ মানিক গাজী ৫৫ আব্দুর রশিদ খান ৩৫ আব্দুল আলিম ৩৫ নজরুল ইসলাম ৩৩ ইসমাইল গাজী ৩৭ বরকতউল্লাহ ৩৬ জামাল হোসেন ৪২ নুর হোসেন ৩৩ আব্দুল কাদের ৩৫ জাহিদুর রহমান ৩৭ মিকাইল হোসেন ৩৫ বাঘ বিধবা সাহারা খাতুন ৩৫ আলেয়া খাতুন ৪০ জামেলা খাতুন ৪৭ রোকেয়া খাতুন ৪২ জাহানারা খাতুন ৩৫ মোমেনা খাতুন ৩৮ প্রতিবন্ধী আনোয়ার হোসেন ৩৭ খোকন গাজী৩৫ বাখেদ আলী ৩৩ রমজান আলী ৩৫ মজিবর রহমান ৩৩ আলেয়া বেগম ৫৫ সালমা খাতুন ৪৩ আনোয়ারা খাতুন ৪২ সখিনা খাতুন তেত্রিশ রাশিদা খাতুন ৩৫ জবেদা খাতুন ৩৮ আয়েশা খাতুন ৩২ ওইউনিয়ন পরিষদেরএকাধিক ইউপি সদস্য সরেজমিনে তথ্য অনুসন্ধান কালে এই প্রতিবেদককে অবহিত করেছেন ২০০৯ সালে।ঘূর্ণিঝড় আম্পানের পর হইতে অদ্যবধি পর্যন্ত গাবু রায় লক্ষ লক্ষ বস্তা ড্যাম্পেন করা হয়েছে ইমার্জেন্সি কাজে সেই সমস্ত বস্তা মেগা প্রকল্পে কোন বস্তা ডাম্পিং না করে সমন্বয় করে কাগজপত্র চূড়ান্ত করা হয়েছে। তারা আরো জানান মেগা প্রকল্পে একটি বস্তা ড্যাম্পিং করা হয়নি এই তিন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও ট্যাক্স ফোর্সের প্রতিনিধিরা একসাথে হয়ে এই সীমাহীন দুর্নীতি অপকর্ম করে শত শত কোটি টাকা হাতে নিয়ে গেছে। তবে ওই কাজে নিয়োজিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সাব ঠিকাদার বলেছেন মাত্র ৭ থেকে ৮ শতাংশ বস্তা ডাম্পিং করা হয়েছে মেগা প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে ।বাকিগুলো কর্মকর্তাদের ও ট্যাক্স ফোর্সের কর্মকর্তাদের পকেটে। এছাড়া মাটির কাজে পাহাড় সমান দুর্নীতি হয়েছে মাটি আনার কথা ছিল টলার ও কার্গো করে কিন্তু তা না নিয়ে এসে রাস্তার গড়া খুঁড়িয়া এবং মানুষের বাড়ি ঘর ভেঙ্গে মাটি নিয়ে মেগা প্রকল্পের রাস্তা সমান করা হচ্ছে। সেখানে খাল খননে পাহাড় সমান দুর্নীতি করা হয়েছে সামান্য একটু মাটি কাটে খালে পানি তুলে দেওয়া হয়েছে যাহাতে কোন প্রমাণ না থাকে। গেট নির্মাণে ও ব্যাপক দুর্নীতি করা হচ্ছে দেখার কেউ নেই। ১০৪০ কোটি টাকার কাজ হচ্ছে অন্তত বৃষ্টি পয়েন্টে ঠিকাদা কাজ করছে কিন্তু কাজ দেখার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে একজন ওয়ার্ক স্ট্যান্ডকে সাইডে পাঠানো হয়। বাকিগুলো ঠিকাদাদের ইচ্ছা মত ব্লক তৈরী সহ সকল প্রকার কাজ নিজেদের ইচ্ছেমতো চালিয়ে যাচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা আরো জানান এ ছাড়া প্রত্যেকটা খাতে মেগা প্রকল্পে হরিলুট করা হয়েছে ।এর বড় কারণ গত ৫ই আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে সকল সেক্টরে দায়িত্ব নিতে একটু বিলম্ব হওয়ায় সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা এই ঘটনা ঘটিয়ে শত শত কোটি টাকা হাতে নিয়ে গেছে যাহা তদন্ত হলে এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনার সত্যতা প্রমাণ করিয়ে দেবে বলে জোর দাবি জানিয়েছেন। এই প্রতিবেদক নিয়মিতভাবে গাবুরা মেগা প্রকল্পের দুর্নীতির খবর নিয়মিতভাবে প্রকাশ করায় উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ইমরান সরদার তাকে হত্যা সহ মিথ্যা মামলা দেওয়ার প্রকাশ্য হুমকি দিচ্ছে। এই ইমরান সরদার এর বাড়ি মাগুরা জেলায় সে আওয়ামী লীগের ক্যাডার ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত থেকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী চাকরিতে যোগদান করেন। তিনি এবং তার পরিবারের ভাই চাচা আত্মীয়-স্বজন সকলেই জন্মলগ্ন থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত এখনো পর্যন্ত আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে পথ পদবী নিয়ে বহাল তবিয়তে বসে আছেন। একই সমস্যা তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী সালাউদ্দিন আহমেদের ও তৎকালীন উপসহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদুর রহমানের তারা প্রত্যেকেই আওয়ামী লীগের আমলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের চাকরিতে যোগদান করেছেন আওয়ামী লীগের কোটায় যাহা তদন্ত হলে সম্পূর্ণ প্রমাণিত হবে। পাঁচই আগস্ট এর পরে ট্যাগ ফোর্সের কর্মকর্তাদের শ্যামনগর পানি উন্নয়ন বোর্ডের গেস্ট হাউসে বসিয়ে রেখে সকল কাগজপত্র প্রস্তুত করে স্বাক্ষর করিয়ে জায়েজ করেছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সাব ঠিকাদার এই প্রতিবেদককে সঠিক তথ্য দিয়েছেন। কেন এই তথ্য দিয়েছেন জানতে চাইলে ওই সাপ ঠিকাদার বলেন শত শত কোটি টাকা লুট হয়ে গেল একটি টাকা ঠিকাদার অথবা পানি উন্নয়ন বোর্ড আমাকে দেয় নাই সে কারণে আমি যা ঘটেছে তাই বলেছি। এদিকে উল্লেখিত প্রত্যক্ষ দর্শীরাএই প্রতিবেদকে আরো জানান এই তিন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা সীমাহীন দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে গাবুরা ইউনিয়নের অনেক প্রভাবশালী মহলকে কিছু কিছু টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেছে। তারা আরো বলেন যারা জোর গলায় কথা বলতে পেরেছে তাদেরকে ধারেপাশে ডেকে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেছে এটা অতি সত্য কথা। তদন্ত হলে এসব তথ্য সব বেরিয়ে আসবে আয়নার মতো। প্রত্যক্ষদর্শীরা এই প্রতিবেদকের মাধ্যমে দাবি জানিয়েছেন অভিযোগের তদন্তের স্বার্থে ঐ তিন পানি উন্নয়ন বোর্ডের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাকে ওএসজি করে তদন্ত করতে হবে না হলে তারা তদন্তের সময় এখানে তাদের কিছু দালাল আছে তারা তদন্ত কাজে বিঘ্ন ঘটাবে। দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার দুর্নীতির ফিলিস্তি ইতিপূর্বে এই প্রতিবেদকে বেশ কয়েকটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন সেজন্য আজকে সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলো। এদিকে এই তিন দুর্নীতিবাদের দুইজন যথাক্রমে নির্বাহী প্রকৌশলী সালাউদ্দিন আহমেদ ও উপসহকারী প্রকৌশলী সাজ্জাদুর রহমান তড়িঘড়ি করে বদলি হয়ে সাতক্ষীরা ছেড়েছেন আর একজন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ইমরান সরদার বদলি হওয়ার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালকের দপ্তরে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন।