
ডেস্ক রিপোর্ট : ফুলতলা উপজেলার দামোদার জমাদ্দারপাড়া এলাকায় সাব্বির সরদার (১৯) নামে এক যুবককে সন্ত্রাসীরা ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে| তাদের ধাঁরালো অস্ত্রাঘাতে ¯^াধীন এবং নীরব নামে দুই জন জখম হেেয়ছে| তাদের বয়সও ১৯/২০ বছর| বৃহস্পতিবার রাত ৮ টার দিকে এ নৃশংসতা ঘটেছে| শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে খুন-জখমে জড়িত কাউকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি| কেন এই হতাহতের ঘটনা? তাৎক্ষনিকভাবে এ প্রশ্নের উত্তর মেলেনি|
নিহত ব্যক্তি দামোদার পূর্বপাড়া এলাকার জনৈক মোস্তফা সরদারের ছেলে| তিনি স্থানীয় এক ডিস এন্টিনার ব্যবসায়ীর কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন| শুক্রবার দুপুরে ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ নিহতের ¯^জনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে| থানা-পুলিশ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে|
থানার অপারেশন অফিসার এসআই শফিকুল ইসলাম বলেন, নিহত ও জখম হওয়া এবং হামলাকারীরা পরষ্পর বন্ধু ছিলেন| গত ৪/৫ দিন আগে নিহত সাব্বির এবং সেজানের মধ্যে বিরোধ হয়| এর জের ধরে এ খুন-জখমের ঘটনা ঘটেছে| অভিযুক্ত সেজান ভ্যান চালক| সে সাব্বির এবং তার বন্ধুদের ওই এলাকায় দেখতে পেয়ে অন্যদেরকে মোবাইলে ফোন করে ডেকে আনে| তারা সাব্বিরের পেটে ছুরিকাঘাত করে, এতে ভুড়ি বের হয়ে যায়| নিরবের কোমরের উপরেও ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম করে| এই দুইজনকে প্রথমে ফুলতলা উপজেলা ¯^াস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়| সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়| খুমেক হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাব্বিরকে মৃত ঘোষণা করেন| নিরব সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন| আরেক জন আহত হওয়া ব্যক্তি ¯^াধীন কোনো বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে পুলিশ ধারনা করছে|
কয়েকদিন আগে নিহত সাব্বির এবং সেজানের মধ্যে কি নিয়ে বিরোধ হয়েছিল? পুলিশ এ ব্যাপারে এখনও জানতে পারেনি, তবে চেষ্টা করছেন| আহত-নিহতদের কোনো ¯^জনও তাৎক্ষনিকভাবে পুলিশকে এ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি বলে জানা গেছে|
থানার (ওসি) মোস্তফা কামাল ˆদনিক জন্মভূমিকে বলেন, ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার এবং তাদের ব্যবহৃত ধাঁরালো অস্ত্র উদ্ধারের জন্য অভিযান চলছে| এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে থানায় মামলা দায়ের হয়নি|