
বিশেষ প্রতিনিধি : খুলনা মেডিকেল কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিতি শনাক্তের বায়োমেট্রিক ফিঙ্গার মেশিন চুরি হওয়ার পর উদ্ধার হয়েছে| সোমবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে অফিস সহায়ক পদে কর্মরত একজনের কক্ষ হতে মেশিনটি উদ্ধার হয়| কেন এই মেশিন চুরি? কোনো অনিয়ম ঢাকতে কি এই চুরি? নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে? এসব প্রশ্নের উত্তর নিশ্চিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে| খুলনা মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল ডাঃ গোলাম মাসুদ বলেন, কয়েকজন শিক্ষক সকালে মেশিনটিতে আঙ্গুলের ছাপ দিতে যেয়ে সেটা দেখতে না পেয়ে তার কক্ষে যেয়ে বিষয়টি অবহিত করেন| এরপর অন্য শিক্ষকদের সাথে ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা করা হয়| পরবর্তীতে কলেজের এক কর্মচারীর কক্ষ হতে মেশিনটি উদ্ধার করা হয়| তিনি বলেন, এ ঘটনায় উপ-অধ্যক্ষ ডাঃ শেখ আমানুল ইসলামকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে| আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত শেষ করে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে| এদিকে, দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানান, কলেজের প্রশাসনিক ভবনের পাঁচ তালার ৪০৪ না¤^ার রুম থেকে ফিঙ্গার মেশিনটি উদ্ধার হয়েছে| অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম কাউসার আলী (৫২), তিনি অফিস সহায়ক পদে কর্মরত| সিসি টিভির ফুটেজ দেখে তার কক্ষ হতে মেশিনটি উদ্ধার করা হয়| জনৈক চিকিৎসকের নির্দেশে তিনি ওই মেশিনটি খুলে নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে| তিনি জানান, চিকিৎসকদের একটি অংশের মধ্যে গ্রুপিং রয়েছে| ইদানিং তাদের মধ্যে শীতল উত্তেজনা বিরাজ করছে|