
নিজস্ব প্রতিবেদক : খুলনা জেলা জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট ফুলতলা উপজেলা শাখা কমিটি গঠন নিয়ে চরম বিশৃঙ্খলা ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, একই ইউনিটে দুই নেতার নেতৃত্বে পৃথক দুটি কমিটি ঘোষণা করায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খুলনা জেলা তাঁতী দলের আহ্বায়ক লিটন তালুকদারের স্বাক্ষরে আলমগীরকে আহ্বায়ক এবং সোহাগকে সদস্য সচিব করে একটি কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। অন্যদিকে, জেলা তাঁতী দলের সদস্য সচিব লোটাসের সমর্থনে মাহমুদ কবির লিটনকে আহ্বায়ক এবং সাব্বির আহমেদকে সদস্য সচিব করে আরেকটি পাল্টা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অনিয়ম ও রাজনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ:
সদস্য সচিব লোটাস সমর্থিত কমিটির আহ্বায়ক মাহমুদ কবির লিটন দাবি করেন, “৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আমিই ফুলতলা উপজেলা তাঁতী দলকে সুসংগঠিত করেছি। অথচ লিটন তালুকদারের নেতৃত্বে ঘোষিত কমিটির আহ্বায়ক আলমগীর একজন ফ্যাসিবাদের দোসর। তিনি খুলনা-৫ আসনের সাবেক ‘ভোট চোর’ সংসদ সদস্য নারায়ণ চন্দ্র চন্দর ঘনিষ্ঠ আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত। আমরা এই অবৈধ কমিটি মানি না।”
একই কমিটির সদস্য সচিব সাব্বির আহমেদ বলেন, “গত ১৭ বছর আমরা রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি এবং জুলুম সহ্য করেছি। অথচ লিটন তালুকদারের ঘোষিত কমিটির নেতারা আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে সক্ষতা বজায় রেখে চলেছেন এবং বিগত সময়ে সাধারণ মানুষের ওপর জুলুম চালিয়েছেন। ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করা এই কমিটি আমরা প্রত্যাখ্যান করছি।”
এ বিষয়ে ফুলতলা উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ জানান, তাঁতী দলের এই অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও দুই কমিটির বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় দ্রুতই জেলা পর্যায়ের সিনিয়র নেতাদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হবে বলে তারা আশ্বস্ত করেছেন।