
ডেস্ক রিপোর্ট : নগরীর পৃথক দুইটি থানা এলাকায় রোববার সকালে দুর্ঘটনায় এক বৃদ্ধ এবং এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন| ৬৫ বছর বয়সী দেলোয়ার হোসেন গাছ থেকে পড়ে মৃত্যু বরণ করেছেন| অপরদিকে, রোকেয়া বেগম (৭৫) দ্রুতগামী কোনো যানবাহনের ধাক্কায় প্রাণ হারিয়েছেন| তবে, কোন শ্রেণীর যানবাহনের ধাক্কায় তিনি মারা গেলেন, তাৎক্ষনিকভাবে পুলিশ তা জানতে পারেনি| নিহত দেলোয়ার সোনাডাঙ্গা বাস স্ট্যাণ্ড এলাকায় থাকতেন, দিন মজুরের কাজ করতেন| বেলা ১১ টার দিকে তিনি সোনাডাঙ্গা প্রথম ফেজের দ্বিতীয় না¤^ার গলিতে গাছের ডাল ছাটছিলেন| হঠাৎ তিনি গাছ থেকে পড়ে যান, তিনি নিচের একটি লোহার সুচালো রডের ˆতরি বেড়ার উপর পড়েন| আশ-পাশের লোকজন রক্তাক্ত জখম অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন| স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে ভিন্ন-ভিন্ন কথা| কেউ বলছেন, ওই বৃদ্ধ জ্বালানি সংগ্রহের জেন্য ডাল কাটছিলেন| আবার কেউ বলছেন, পাশর্^বর্তী রেমন্ড নামের একটি শো রুমের টিনের চালের উপরে থাকা গাছের ডালপালা তাকে দিয়ে ছাটানো হচ্ছিল| থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, নিহতের ছেলেরা থানায় অভিযোগ দায়ের করতে চাচ্ছেন না| অপমৃত্যু মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে| পুলিশ জানায়, নিহতের ছেলেরা লাশের ময়নাতদন্ত না করানোর ব্যাপারে জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে অনুমতি নিয়েছেন| সন্ধ্যার দিকে তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছিল| এদিকে, সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে সড়ক দুর্ঘটনায় এক বৃদ্ধার মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসাতাল থেকে রোকেয়া বেগমের লাশ উদ্ধার করে| তার মাথার পেছনে রক্তাক্ত জখমের ক্ষত ছিল| বাম পায়ে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল| ডান পায়ের হাটুর চামড়া ছিলে রক্ত বের হয়েছিল| মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুতকারী দৌলতপুর থানার উপ-পরির্দক মোঃ জামিরুল ইসলাম এসব তথ্য জানান| তিনি বলেন, নিহত নারী দৌলতপুর ইস্পাহানি কলেনিতে বসত করতেন| দুর্ঘটনাটি কুলিবাগান এলাকায় ঘটেছে| তবে, কী ধরণের যানবাহণের ধাক্কায় তিনি প্রাণ হারিয়েছেন? তা এখনও স্পষ্ট নয়| তিনি জিডি মূলে সুরতহাল করেছেন| এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ময়না তদন্তের জন্য লাশ হাসপাতালের মর্গে ছিল|