1. mesharulislammonir1122@gmail.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন
  2. info@www.sangjogprotidin.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন :
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাজারে কুমিরের আক্রমনে মারা যাওয়া কুকুরটি জলাতঙ্ক রোগে ভুগছিল মোরেলগঞ্জে পানি নিষ্কাশন ও স্লুইজ গেটের দাবিতে মানববন্ধন মোরেলগঞ্জে কৃষক দল নেতার জমি দখলে মরিয়া শ্রমীক লীগ নেতা খালিশপুরে রিকশা-ভ্যান শ্রমিক দলের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদ মন্ত্রী ইরানকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে: পেজেশকিয়ান যৌতুক দাবিতে স্ত্রী নির্যাতন মামলায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক কারাগারে সভাপতি তামিমের উৎসাহে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ দল: মিরাজ ফিলিস্তিনি বন্ধিদের ওপর ইসরায়েলের ভয়াবহ যৌন নির্যাতন বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিত নিয়ে প্রশ্ন আখতারের, যা বললেন আইনমন্ত্রী

ইউরোপ-আমেরিকায় যাচ্ছে উপকূলের টাইগার চিংড়ি, দেশের অর্থনীতিতে সম্ভাবনার হাতছানি

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৩৮ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা ,খুলনা ‌,বাগেরহাট, পিরোজপুর ,ঝালকাঠি, বরিশাল, বরগুনা ,পটুয়াখালী ,ভোলা ,লক্ষ্মীপুর ,চাঁদপুর ,ফেনি, নোয়াখালী ,চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এলাকার জেলেদের জালে ধরা পড়া টাইগার চিংড়ি এখন উপকূলে মানুষের গণ্ডি পার হয়ে যাচ্ছে বহির্বিশ্বে। উপকূলে ‌গেলে চোখে পড়ে জেলেদের জ্বালে পড়া সামুদ্রিক এই টাইগার চিংড়ি। এই চিংড়ি ‌‌‌কালার রঙ্গিন তাই এর নাম দেওয়া হয়েছে টাইগার চিংড়ি। উপকূলের মৎস্যজীবীরা এই টাইগার চিংড়ি আহরণ করে স্বাবলম্বী হচ্ছে। স্বাবলম্বী হচ্ছে ব্যবসায়ীরাও কারণ এই চিংড়ি রপ্তানি হচ্ছে ইউরোপ আমেরিকায়। এই চিংড়ি আহরণ ও রপ্তানি করে বাংলাদেশ আয় করছে বছরে শত শত কোটি ডলার।‌সামুদ্রিক টাইগার চিংড়ি শিকারে দেশের অর্থনীতিতে সম্ভাবনার হাতছানি। উপকূল থেকে প্রতি বছর কয়েক হাজার কোটি টাকার টাইগার চিংড়ি রফতানি হচ্ছে ইউরোপ ও আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। ফলে এ চিংড়ি শিকার, বাছাই ও প্রক্রিয়াজাতের কাজ করে কর্মসংস্থান হয়েছে উপকূলের লক্ষাধিক নারী ও পুরুষের।
দেশের বাজারে টাইগার চিংড়ির তেমন চাহিদা না থাকলেও ইউরোপ-আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে এর বেশ কদর রয়েছে।
সামুদ্রিক টাইগার চিংড়ি। নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত প্রধান মৌসুম হওয়ায় এ চিংড়ি আহরণে ধুম পড়ে পটুয়াখালীসহ আশপাশের উপকূলীয় এলাকায়। বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী দুর্গম দ্বীপ চরমোন্তাজ গিয়ে দেখা যায়, টাইগার চিংড়ি শিকার করে ঘাটে নিয়ে আসছেন জেলেরা। এরপর সেখানেই চলছে মহাকর্মযজ্ঞ।
কেউ ফিশিংবোট থেকে মাছ নামাচ্ছেন। কেউ অন্যান্য মাছের মধ্য থেকে টাইগার চিংড়ি বাছাই করছেন। কেউবা মাথা কেটে আলাদা করে রফতানির উপযোগী করছেন। এতে কর্মসংস্থান হয়েছে উপকূলীয় অর্ধলাখ মানুষের।
টাইগার চিংড়ি বাছাই ও প্রক্রিয়াজাতের কাজ করছেন শ্রমিকরা।
স্থানীয় ও শ্রমিকরা বলছেন, টাইগার চিংড়ির সুবাদে কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। এখান থেকে যে আয় আসে তা দিয়ে সংসারের দৈনন্দিন খরচ মেটানো যায়। টাইগার চিংড়ি কেটে দৈনিক ৩০০-৪০০ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যায়।
ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের বাজারে এ চিংড়ির তেমন চাহিদা না থাকলেও ইউরোপ-আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে এর বেশ কদর। ফলে জেলা থেকে প্রতি বছর কয়েক কোটি টাকার টাইগার চিংড়ি বিদেশে রফতানি করা হয়।
বিদেশে রফতানিযোগ্য চিংড়ি শিল্পের প্রসারে জেলেদের বিভিন্নভাবে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে জানান মৎস্য কর্মকর্তা। পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বলেন, চিংড়ির মাথা দিয়ে অন্যান্য মাছ ও পশুর খাবার তৈরি করা হয়। এ বিষয়ে জেলেদের নানা ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, পটুয়াখালী, বরগুনা ও ভোলার জেলেরা সমুদ্র থেকে টাইগার চিংড়ি সংগ্রহ করেন। এরপর সমুদ্র লাগোয়া বিভিন্ন পয়েন্টে বিদেশে রফতানির জন্য প্রক্রিয়াজাত করা হয়। এখান থেকে পাইকাররা কিনে নিয়ে যান খুলনায়। সেখান থেকে রফতানিকারক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিদেশে পাঠানো হয়।
সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের রেজাউল করিম তিনি এই রঙ্গিন চিংড়ি আহরণ করেন বেঞ্চ জাল্ট দিয়ে। রেজাউল করিমের এই চিংড়ি আহারণ করে প্রতি বছর আয়া আছে দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকা খরচ আছে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। রেজাউল করিম সুন্দরবন অথবা খলুয়া নদীতে জাল পেতে এই রঙ্গিন চিংড়ি আহরণ করেন। রেজাউল করিমের মত গাবুরা ইউনিয়নের মমতাজ উদ্দিন ৪৫ ও তার পুত্র মেকাইল ২০ প্রতিবছর খোল পেটুয়া নদীতে বেঞ্চে জাল ধরে রঙ্গিন চিংড়ি আহরণ করে প্রতিবছর আয় করেন ৩ থেকে সাড়ে তিন লক্ষ টাকা মমতাজ উদ্দিন বলেন এর পিছনে তার ব্যয় আছে ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা বাকি টাকা তার নিজের সংসারের পিছনে খরচ করেন। তিনি আরো বলেন এই রঙ্গিন চিংড়ি অথবা টাইগার চিংড়ি আহরণ করে তিনি এখন মোটামুটি স্বাবলম্বী।
এ ব্যাপারে কথা হয় সুন্দরবনের পশ্চিম বিভাগের বিভাগীয় বনকর্মকর্তা এ জেড এম হাসানুর রহমানের সাথে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন আলাদাভাবে বেঞ্চি জাল বা টাইগার চিংড়ি আহরণ করার কোন অনুমতি দেওয়া হয় না কিন্তু এখন শুটকির মৌসুমে জেলেদের সাগরে যেতে অনুমতি দেওয়া হয় সে কারণে জেলেরা সুন্দরবনের দুবলার চরসহ বিভিন্ন শুটকি পল্লীতে এই টাইগার চিংড়ি আহরণ করে পাইকারদের কাছে বিক্রি করে দেয় তারা এই টাইগার চিংড়ি বিদেশে রপ্তানি করে থাকে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।