1. mesharulislammonir1122@gmail.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন
  2. info@www.sangjogprotidin.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন :
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দশমিনায় পান চাষী হিসাবে অমলের পান বরজেও সফলতা অর্জন জাল সনদে চাকরি: ৩৩০ কলেজ প্রভাষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা আমরা যুদ্ধের প্রস্তুতি নিই যুদ্ধ করতে নয়, যুদ্ধ এড়াতে: সেনাপ্রধান খুলনায় সুখেন চন্দ্র হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ২৮ হাজার ছাড়িয়েছে ২৬ এপ্রিলের মধ্যে চালু হচ্ছে আদানির বন্ধ ইউনিট: বিদ্যুৎ বিভাগ আজ তালার পারকুমিরা গণহত্যা দিবস খুলনায় ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল দিঘলিয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত দিঘলিয়ায় বারাকপুর খেয়াঘাট দখলের চেষ্টা, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে

শ্যামনগর-ভেটখালী সড়কে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান নিদের্শনা

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২০৪ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরা সড়ক বিভাগ জানিয়েছে, শ্যামনগর—ভেটখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের দুই পাশে থাকা সব অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হবে আগামী ১৫ ও ১৬ অক্টোবর। বুধবার (৮ অক্টোবর) সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) সাতক্ষীরা সড়ক বিভাগ এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাতক্ষীরা (আলিপুর)—সখিপুর—কালিগঞ্জ—শ্যামনগর—ভেটখালী (আর—৭৬৭) আঞ্চলিক মহাসড়কের ৪৩তম কিলোমিটার এলাকায় শ্যামনগর ফায়ার সার্ভিস মোড় থেকে ৫৭তম কিলোমিটার পর্যন্ত ভেটখালী বাজার পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশে সওজের নিজস্ব জমিতে অবৈধভাবে নির্মিত সব স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।
এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করবেন বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও এস্টেট ও আইন কর্মকর্তা, সওজ, ঢাকা জোনের সহযোগিতায় সাতক্ষীরা সড়ক বিভাগ।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, নির্ধারিত সময়ের আগে অবৈধ স্থাপনা দখলকারীদের নিজ উদ্যোগে ও নিজ খরচে স্থাপনা সরিয়ে নিতে অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যথায় অভিযান পরিচালনার সময় স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হবে এবং এর দায়ভার দখলদারদের ওপরই বর্তাবে।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন,জনস্বার্থে সড়কের নিরাপত্তা ও চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।
সাতক্ষীরা-ভেটখালীর ৬২ কিলোমিটার সড়কের অধিকাংশ স্থান পরিণত হয়েছে মরণফাঁদে। সড়কের বেশিরভাগ জায়গায় পিচ নেই। রয়েছে খোয়া, পাথর আর ধুলোবালি। সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ ও বড় বড় গর্তের।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভাঙাচোরা এই সড়কে যানবাহনগুলো অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। কোন কোন জায়গায় গর্তে পড়ে বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে, বাস-ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরণের যানবাহন। অথচ সুন্দরবন ভ্রমনে ইচ্ছুক পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য একসময় ‘সাতক্ষীরার আকর্ষণ, সড়ক পথে সুন্দরবন’ সেøাগান তোলা হয়েছিলো। কিন্তু সুন্দরবনে যাওয়ার সেই সড়কে পর্যটক তো দূরের কথা স্থানীয়রাও চলাচল করতে চায় না। সড়কের একাধিক জায়গায় বসানো হয়েছে ইটের সলিং ও হেরিংবন্ড। লাখ লাখ টাকা খরচ করে সড়কে এ ধরনের ইটের সলিং করা হলেও মূলত তা কোন কাজে আসেনি। অল্প বৃষ্টিতেই সেখানেও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কে চলাচল অনুপযুক্ত হয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, ১৯৯৮ সালের পর থেকে অদ্যাবধি (২৭ বছর) সাতক্ষীরা-ভেটখালি সড়ক নির্মাণ হয়নি। আগের নির্মিত সড়কটি প্রতি বছর মাজাঘসা করে জোড়াতালি দিয়েই চলছে।
এবিষয়ে সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মতিয়ার রহমান জানান, সাতক্ষীরা-ভেটখালির ৬২ দশমিক ৩২৫ কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি নতুনভাবে তৈরি করতে টেন্ডার হয়েছে। ৬টি প্যাকেজে ৫৬৯ কোটি ৪৮ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন হয়েছে। সাতক্ষীরা শহরের লাবনী মোড় থেকে সুন্দরবন সংলগ্ন ভেটখালি পর্যন্ত এই সড়ক নির্মাণ করবে চারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
তিনি বলেন, সড়কের বিভিন্ন জায়গায় ৪৯টি কালভার্ট নির্মাণ করা হবে। বাজার এলাকার সড়কে ঢালাই হবে। সড়কের দু’পাশে পানি নি:ষ্কাশনের ব্যবস্থারাখাসহ একটি মানসম্মত সড়ক নির্মাণ করা হবে। আগামী ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার আদেশ রয়েছে।
দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও ঠিকাদাররা সড়ক নির্মাণ শুরু করেননি কেনো এমন প্রশ্ন করা হলে উপবিভাগীয় প্রকৌশল মো. মতিয়ার রহমান জানান, বর্ষা মৌসুম শেষে সড়ক নির্মাণ শুরু হবে।
এদিকে শামীম হোসেন, আকবর আলী, রেজাউলসহ একাধিক গাড়িচালক জানিয়েছেন, সাতক্ষীরা-ভেটখালী সড়কটি মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রায়ই সময় গর্তে আটকে যানবাহন অচল হয়ে সড়কে পড়ে থাকে। তাছাড়া, এই সড়কে সকালে যানবাহন চলাচল করলে সন্ধ্যায় গ্যারেজে মিস্ত্রীর কাছে নিতে হয়। এসময় দুশো থেকে হাজার টাকা খরচা হয়। তারা দ্রুত সড়কটি নির্মাণের দাবি করেছেন।

অবশেষে সাতক্ষীরা কালিগঞ্জ ভেটখালী মহাসড়ক সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে ইতিমধ্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সংস্কার কাজের মালামাল মজুদ করছে এবং এই কাজের জন্য যে সমস্ত যানবাহন প্রয়োজন সেগুলো প্রস্তুতির প্রক্রিয়া শুরু করেছেন অতি দূরত্বই কাজ শুরু হবে আগামী ২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্য এই কাজ সমাপ্ত করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।
এ বিষয়ে হোয়াটসঅ্যাপ এ কথা হয় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদের সাথে তিনি এই প্রতিপাদকে বলেন সাতক্ষীরা একটা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার বড় জেলা এই জেলা মহাসড়কটি দীর্ঘদিন বেহাল দশায় করেছিল বর্তমান যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টেন্ডার পেয়েছে তাদের কাজ করার অনুমতি অর্ক অর্ডার প্রদান করা হয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্য মালামাল মজুদ করছে এবং কিছু কিছু জায়গায় কাজ শুরু করেছে সেগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ জায়গা ছিল সেই ঝুঁকিপূর্ণ জায়গার কাজগুলো তাদের মালামার সাথে সংস্কার করছে সামাজের জন্য।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।