
খুলনা প্রতিনিধি : ১৮ এপ্রিল শনিবার বেলা ১২ টার সময় সংবাদ সন্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের নিজেস্ব কার্যালয় অনুষ্ঠিত সংবাদ সন্মেলন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তেরোখাদা এলাকার লায়েক মোল্লার পক্ষে লোকমান মোল্লা।
লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, দীর্ঘ দিন যাবৎ বিবাদীদের সঙ্গে
পূর্ব শত্রুতা ও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলিয়া আসিতেছে। তার জের ধরিয়া ১৬ এপ্রিল বেলা সাড়ে ১২ ঘটিকায় আসামিগণ বেআইনি ভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমার বসত বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করিয়া অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। তখন আমার কন্যা মোসাঃ লাইজু (ভিক্ষা করে)আসামিদের গালিগালাজ করার প্রতিবাদ করিলে আসামি আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা হুকুম দিয়ে বলেন শুয়োরের বাচ্চাদের হত্যা করে ফেল। হুকুম পাওয়ার সাথে সাথে আসামি তাহার পূত্র রিয়াজ মোল্লা (পুলিশ সদস্য) ,হাতে লোহার রড দিয়ে লাইজুর মাথায় সজোরে আঘাত করে উক্ত আঘাত লাইজুর মাথার বাম পাশে লাগিয়া রক্তাক্ত জখম হয়। আসামি কামরুল মোল্লা, নকশি বেগম,লাকি বেগম মিলে,লাইজু বেগমকে এলোপাতাড়ি ভাবে মারপিট করিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা জখম হয়। আমার ভাইপো মধু মোল্লা, লাইজু বেগমকে আসামিদের কবল হইতে উদ্ধারের জন্য এগিয়ে আসলে আসামিরা সবাই মধু মোল্লাকেও এলোপাতাড়ি ভাবে মারপিট করিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। উক্ত আসামীরা মোছাঃ লাইজুর পরনের জামা কাপড় টানা হেছরা করিয়া ও ছিড়িয়া শ্লীলতাহানি ঘটায়। তখন তাদের ডাক চিৎকারে সাক্ষী মজিবর মোল্লা, তানজিলা বেগম,মুরাদ মোল্লা,রুবেল মোল্লা সহ আরো অনেকে এগিয়ে এসে আসামিদের কবল হইতে আমার কন্যা মোছাঃ লাইজু ও ভাইপো মধু মোল্লা দ্বয়কে উদ্ধার করে। অতঃপর মোছাঃ লাইজুকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করিয়া চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে এবং মধুকে স্থানীয় ডাক্তারের নিকট নিয়ে চিকিৎসা প্রদান করি। তারা বলেন,কবরখানা নিয়ে দির্ঘ দিন যাবৎ বিবাদীদের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। এবিষয়ে তেরোখাদা থানায় বিবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করি। এবিষয় তেরোখাদা থানার ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,অভিযোগ পেয়েছি দ্রুত ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে। সংবাদ সন্মেলনে উপস্থিত মধু মোল্লা ও লায়েক মোল্লা।