1. mesharulislammonir1122@gmail.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন
  2. info@www.sangjogprotidin.com : দৈনিক সংযোগ প্রতিদিন :
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দশমিনায় পান চাষী হিসাবে অমলের পান বরজেও সফলতা অর্জন জাল সনদে চাকরি: ৩৩০ কলেজ প্রভাষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা আমরা যুদ্ধের প্রস্তুতি নিই যুদ্ধ করতে নয়, যুদ্ধ এড়াতে: সেনাপ্রধান খুলনায় সুখেন চন্দ্র হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ২৮ হাজার ছাড়িয়েছে ২৬ এপ্রিলের মধ্যে চালু হচ্ছে আদানির বন্ধ ইউনিট: বিদ্যুৎ বিভাগ আজ তালার পারকুমিরা গণহত্যা দিবস খুলনায় ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল দিঘলিয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত দিঘলিয়ায় বারাকপুর খেয়াঘাট দখলের চেষ্টা, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে

দশমিনার জ্বালানী লাঠির ঘুঁটে এখন কেবল স্মৃতিপটে

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১০৬ বার পড়া হয়েছে

দশমিনা(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে গ্রামীন বাংলার লাঠির ঘুঁটে এখন কেবল স্মৃতি হয়ে গেছে। গ্রামের গৃহবধুরা শীতকালে গোবর দিয়ে পাটকাঠির সাথে আটকে দিয়ে রোদে শুকিয়ে এই জ্বালানী তৈরি করতো। গ্রাম বাংলায় যুগ যুগ ধরে গোবরের তৈরি এই ঘুঁটে রান্নাবান্নার কাজে জ্বালানী হিসাবে ব্যবহার করা হয়। বিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিস্কার ও আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রাম বাংলা থেকে এই জ্বালানী এখন উঠে গেছে। তবে শীতকালে জ্বালানীর কাঠ সংকটে থাকায় এর বিকল্প হিসাবে গ্রামীন জনপদে এখনও লাঠির লাঠির ঘুঁটে ব্যবহার করা হয়।
উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে এই ঘুঁটে জ্বালানী হিসাবে তৈরি করতে দেখা যায়। বিশেষ করে যেখানে কাঠের জ্বালানী সংকট রয়েছে সেই সমস্ত এলাকায় এখনও এই বিকল্প লাঠির ঘুঁটের দেখা মিলে। দক্ষিনাঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষায় এই জ্বালানীকে ঘৈটা বা মুইট্রা বলা হয়। শীত মৌসুম এলেই ঘরের পাঁচিলে গোবর দিয়ে ঘৈটা বা ঘুঁটে তৈরি করতে দেখা যায়। আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রামের এখনকার গৃহিনীরা রান্নায় গ্যাস,মাইক্রোওয়েভ কিংবা রাইস কুকারসহ নানা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। বর্তমানে ঘুঁটে তৈরির এই সব দৃশ্য গ্রামাঞ্চলে খুব কমই দেখা যায়। গ্রামের গৃহিনীদের দৈনন্দিন জ্বালানীর জন্য এই ঘুঁটে শুধু রান্নার জন্য ব্যবহার করা হয়। তবে অনেক এলাকায় এটিকে লাঠি ঘইট্রা হিসাবে চিনে থাকে।
উপজেলার গ্রামীন ইতিহাস ও ঐতিহ্যের বিষয়ে সদরের বাসিন্দা ও প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি আহাম্মদ ইব্রাহিম অরবিল বলেন,এক সময়ে আমার বাড়িতে কাঠের বিকল্প হিসাবে লাঠির ঘুঁটে দিয়ে রান্নার কাজ করা হতো। অত্র এলাকা উপজেলায় উন্নীত হবার পর এবং আধুনিকতার ছোঁয়া পেয়ে এই জ্বালানী এখন আর উপজেলা শহরে দেখা যায় না। তবে
জ্বালানী হিসাবে লাঠির ঘুঁটে এখনও প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে কদাচিৎ দেখা যায়। বিকল্প জ্বালানী লাঠির ঘুঁটে এখন কেবল স্মৃতিপটেই থেকে যাবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।